শিরোনাম
বান্দবানের লামা উপজেলাকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করার দাবিএলাকায় বুনো হাতি আসলে বন বিভাগ ও ইআরটি সদস্যদের দ্রুত জানানকাপ্তাই হ্রদের বিভিন্ন এলাকায় ৬৬টি বজ্র নিরোধক যন্ত্র স্থাপন করা হবেখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আউশ মৌসুমে ব্রি ধান-৯৮ এর নমুনা শস্য কর্তনখাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছামাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণরাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে প্রথম জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্পের উদ্বোধনদীঘিনালায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জসনে জুলুস উদযাপনসাজেকে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক সেশন আয়োজনভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও নেপালের মতো দেশের কৃষিতেও বিপ্লব ঘটাতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী

দীঘিনালা উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সাথে ইউনিয়ন এমএসপিদের সংযোগ কর্মশালা

৫৯

॥ মোঃ সোহেল রানা দীঘিনালা ॥

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সাথে ইউনিয়ন মাল্টি স্টোকহোল্ডার প্লাটফরম (এমএসপিদের) সাথে সংযোগ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫সেপ্টম্বর) সকাল ১১টায় দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে এনজিও ইন্ডিগেটর ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আইডিএফ) কর্তৃক পরিচালিত লিডারশিপ টু নিউট্রিশন (লীন) প্রকল্পের সহযোগিতায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সাথে ইউনিয়ন মাল্টি স্টোকহোল্ডার প্লাটফরম (এমএসপিদের) কর্মশালা দীঘিনালা উপজেলা লীন এর কো-অডিনেটর সুনয়ন চাকমা সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা পুষ্টি কমিটির সভাপতি ও নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য মৎস্য বিষয়ক আহবায়ক মিসেস শতরূপা চাকমা। এতে বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ নারী ভাইস চেয়ারম্যান মিজ সীমা দেওয়ান, দীঘিনালা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা সুমন চাকমা, এনজিও লীন এর খাগড়াছড়ি জেলা ব্যবস্থাপক পঙ্কজ কুমার ত্রিপুরা, এনজিও লীন এর খাগড়াছড়ি জেলা টেকনিক্যাল কো-অডিনেটর হ্যাপি দেওয়ান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা. জাহিদুল আলম তালুকদার, দীঘিনালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রজ্ঞান জ্যোতি চাকমা প্রমূখ। এতে অংশ নেয় ইউনিয়ন পরিষদ এর মাল্টি স্টোকহোল্ডার প্লাটফরম (এমএসপিদের) সদস্যরা হেডম্যান, কার্বারী ও সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

কর্মশালায় বক্তরা বলেন, গর্ভবতী মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবায় খাদ্য পুষ্টির গুন নিশ্চত করতে হবে তাহলে শিশুদের জ্ঞানবুদ্ধি বৃদ্ধি পাবেন। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের পুষ্টি প্রয়োজন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে জনগোষ্ঠির মাঝে খাদ্যের পুষ্টিগুন সর্ম্পকে ধারনা দিতে হবে এবং গনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। সুন্দর ভাবে বাঁচতে হলে পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ খাবর খেতে হবে। তাহলে অসুখ বিসুখ কম হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আর নিজেরা বাড়ির আঙ্গিনায় ছোট জায়গায় শাক সবজি উৎপাদন করে খেতে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে।