শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

কাপ্তাইয়ে জীববৈচিত্র রক্ষার্থে দেশীয় প্রজাতির দেড় লক্ষ চারা রোপন

৯৫

॥ মোঃ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥

রাঙ্গামাটি পার্বত্য চট্রগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ উদ্যোগে বিলুপ্ত প্রজাতির সহ দেড় লক্ষ গাছের রোপন করা হয়েছে। ঝওউ-ঈঐঞ প্রকল্পের আওতায় অঘজ বাগান কার্যক্রম করে চলছে রাঙ্গামাটি দক্ষিণ বন বিভাগ। জীববৈচিত্র রক্ষার্থে দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপন কার্যক্রম এ আয়োজন। দক্ষিণ বন বিভাগের আওতায় পরিত্যক্ত, খালি জায়গায়, কাপ্তাই, কর্ণফুলী, আলী খ্রিয়ং, ফারুয়া রেঞ্জে চলছে এ উদ্যোগ। তারই ধারাবাহিকতায় কাপ্তাই রেঞ্জের সদর বিটসহ বিভিন্ন বিটে ২০২১-২২ অর্থ বছরে ২৫০হেক্টর জায়গায় ১লাখ ২৫ এবং কর্ণফুলী রেঞ্জে ৫০হেক্টরে ২৫ হাজার গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির দেশিও চারার মধ্যে রয়েছে । রক্তন, রসকাউ, বুদ্বনারিকেল, পিত্তনজালা, পিত্তরাজ, গোদা, ধারমারা, বৈলাম, উড়িজাম, গর্জন, শাল, চাপালিশ, আমলকি, হরতকি, বহেরা, জারুল, কদমসহ ইত্যাদি। হারিয়ে যাওয়া দেশিও প্রজাতি গাছ রোপনে জীববৈচিত্র, পশুখাদ্য বাগানে পরিনত হবে। এর ফলে বনে জীববৈচিত্ত পুনরায় ফিরে আসবে।

রাঙ্গামাটি বন সংরক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান ও ছালে মোঃ শোয়াইব খান(ডিএফও) রেঞ্জ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইনসহ বন কর্মকর্তাগণ কাপ্তাই রেঞ্জের রোপনকৃত গাছ পরিদর্শন করে। এবং গাছের রোপনকৃত গাছের চারা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে। বন সংরক্ষক গাছের রোপনকৃত চারা পরিষ্কার পরিছন্নতা ও পরিচর্যার বিষয়ে আরও যত্নবান হওয়ার জন্য রেঞ্জ কর্মকর্তা কে আহবান জানান।

কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহামুদুল হক মুরাদ জানান, আমরা পাহাড়ের পরিত্যক্ত শূন্য জায়গায় জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন গাছ রোপন করেছি।