শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

অমৌসুমে শিম চাষে সফল হওয়ায় হাসি গুইমারায় কৃষকদের মুখে

১২০

॥ মাইন উদ্দিন বাবলু, গুইমারা ॥

অসময়ে শিম চাষে চাষিরা সফলতার স্বপ্নে বিভোর। মাঠের পর মাঠজুড়ে শিম ক্ষেত। শিমের সবুজ ক্ষেতে নতুন ফোটা সাদা বেগুনি ফুলে এক অপরূপ সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়েছে। সাথে ছড়ায় ছড়ায় ঝুলছে শিম। চোখে পড়ার মতো এমন দৃশ্য এখন খাগড়াছড়ি গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের টিলা ভূমিতে।

শিম শীতকালীন সবজি হলেও পাহাড়ি টিলা ভূমিতে চাষ হওয়া শিম চাষে ভালো ফলন ও মূল্য পাচ্ছেন কৃষকেরা। কৃষকরা জানান, এ শিমগাছ বৃষ্টি সহিঞ্চু। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি সিম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ হিসেবে এবার প্রতি বিঘায় খরচ বাদে তারা প্রায় লাখ টাকা আয় করবেন বলে আশা করছেন।

গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব বড়পিলাক গ্রামের পাহাড়ে টিলায় গিয়ে দেখা যায়, অনেক কৃষকই তাদের ক্ষেতে অসময়ের শিমের চাষ করেছেন। ওই গ্রামের সবজি চাষি মোঃ হাসান জানান, সিম সাধারণত শীতকালীন সবজি। এর আগে বর্ষাকালে চাষ হত না। কিন্তু ভিন্ন জাতের এ শিম এখন বারোমাস চাষ করা যায়। তিনি এবার চার বিঘা জমিতে এ ভিন্ন জাতের শিম চাষ করছেন। তারমতে, তাদের গ্রামের কৃষক মোঃ আলমগীর, শাহপরান, মোঃ বেলাল,আব্দুল জলিল,মনির হোসেন,আব্দুর সবুর,আনোয়ার হোসেন, বেল্লালসহ অনেক কৃষক প্রায় ১৬ হেক্টোর জমিতে গ্রীষ্মকালীন এ জাতের শিম চাষ করছেন।

শিমচাষী মোঃ বেল্লাল জানান, অসময়ের আবাদ করা এ শিম নতুন সবজি হিসেবে বাজারে বেশ চাহিদা। দামও বেশি থাকে। ক্ষেতেও ভালো ফলন হচ্ছে। তারা জানান, প্রতি বিঘা শিম চাষে বীজ, সার, কীটনাশক ও মাচার টাল দেয়া বাবদ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে এ শিমের বীজ বপন করতে হয়। পরবর্তীতে চারা গজানোর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মাথায় ফুল আসে। এরপর দেড় মাস পর থেকেই শিম তোলা শুরু হয়। একটানা ৬ মাস পর্ষন্ত ক্ষেত থেকে সিম উঠানো যায়।

গুইমারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওঙ্কার বিশ্বাস জানান,এ বছর উপজেলার ১৬ হেক্টোর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শিমের চাষ করেছেন। অসময়ের শিম হওয়ায় দামও ভালো পাচ্ছেন। ফলে কৃষকেরা দিন দিন শিম চাষে ঝুঁকছেন।