শিরোনাম
ক্যান্সারে আক্রান্ত অনিল তঞ্চঙ্গ্যার চিকিৎসা সহায়তায় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড়ের মাস্টার পাড়ায় ৯ মাদকখোর আটকখাগড়ছিড়ির দীঘিনালায় সেনা জোনের মানবিক সহায়তা প্রদানখাগড়াছড়ির রামগড়ে গাঁজাসহ সিএনজি চালক আটকচীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রী

রাঙ্গামাটিতে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির উপর হামলায় নিন্দা বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ

৪৮

॥ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাঙ্গামাটি বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকার সাইজাম গ্রামে কুকিচিং ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) হামলায় ঘটনাস্থলে ঐ গ্রামে নিহত হন তিনজন। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত আরো দুইজন। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ (বাত্রিকস)। শুক্রবার (২৪ জুন) বিকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে গনমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২১ জুন মঙ্গলবার বিকালে সাইজাম পাড়ার নিরীহ ত্রিপুরা পরিবারের উপর বিনা কারনে তথাকথিত কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) সশস্ত্র বাহিনী অতর্কিত গুলি বর্ষণ করে। এ ঘটনায় পাড়াবাসীর ৩ জন নিহত ও ২ জন শিশু গুরুতর আহত হন।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন-বিজলা ত্রিপুরা ছেলে বিশাই ত্রিপুরা (৫৫), বিশাইচন্দ্র ত্রিপুরা ছেলে সুভাষ চন্দ্র ত্রিপুরা(২২), চিতারাং ত্রিপুরা ছেলে ধনরাং ত্রিপুরা (১৫)। অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ ও আহতরা হলেন- সুভাষ চন্দ্র ত্রিপুরা ছেলে অনন্ত ত্রিপুরা (৪) ও তার মেয়ে সুশান্না ত্রিপুরা (২)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়- ইতিমধ্যে ঘটনায় ওপর বিভিন্ন পত্রিকা , টিভি, সহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ও মিডিয়াতেও প্রকাহিত হয়েছে। পাশাপাশি ঐ এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মার্মা ও ইউপি সদস্য জামাইয়া তংচগ্যা ঘটনা সত্যতা মোবাইলের মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত করেন।

নিরীহ ঘটনার শিকার বীর উত্তম ত্রিপুরা উল্লেখ করে জানান, নিহত ব্যাক্তিদেরকে শুধু গুলি করে হত্যা করে ক্ষান্ত হননি ধারালো ছুরি ও দা দিয়ে গলা ও মাথা কেটে আদিম যুগে বর্বরোচিত নৃশংস হত্যা করেছে। কাজেই এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সমগ্র ত্রিপুরা জনগোষ্ঠি কখনো মানবে না, মানতে পারেনা।

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ- বান্দরবান জেলার শাখা কমিটি সমগ্র বান্দরবান জেলার ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির পক্ষ থেকে এ মর্মান্তিক ঘটনা তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে এ হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যাক্তি বা জনগোষ্ঠিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানে জোর দাবী জানান বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ (বাত্রিকস)।

এব্যাপারে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ (বাত্রিকস) বান্দরবান জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত ত্রিপুরা জানান, দুই একদিনের মধ্যে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন করা হবে। তবে এর আগে কর্মসুচির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রশাসন পক্ষ থেকে অনুমতি নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।