শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা কেউ গৃহহীন থাকবে না

মুজিববর্ষে রাঙ্গামাটিতে ৩য় পর্যায়ে ঘর পাচ্ছেন ২০৬ পরিবার

১০০

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মুজিববর্ষে বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না এই স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ২৬ এপ্রিল ৩য় দেশ্যব্যাপী ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ভুমি ও গৃহ হস্তান্তরে রাঙ্গমাটিতেও ৩য় পর্যায়ে ২০৬টি পরিবার তাদের কাঙ্খিত জমি ও গৃহ পাচ্ছেন। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৬ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে এসব জমি ও ঘর হস্তান্তর করবেন।

এদিকে এ উপলক্ষ্যে রবিবার (২৪ এপ্রিল) বিকাল ৩ঘটিকায় রাঙ্গামটি জেলা প্রশাসন এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের কাছে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), এস.এম. ফেরদৌস ইসলাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং লাইলাতুল হোসেন, সহকারী কমিশনার, রেভেনিউ ডেপুটি কালেক্টর। এছাড়া স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সারা দেশের ন্যায় রাঙ্গামাটিতেও ১ম এবং ২য় পর্যায়ে ভুমিহীন এবং গৃহহীনদের মাঝে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এ পর্যায়ে এখন সারাদেশের ন্যায় ৩য় পর্যায়েও ভুমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হচ্ছে। আগামী ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় ৯০টি, লংগদু ১০টি, নানিয়ারচর ১১টি, বরকল ৫৫ এবং কাউখালী উপজেলায় ৪০টি সহ মোট ২০৬টি গৃহ হস্তান্তর করবেন। তিনি বলেন এসব গৃহ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে উপকারভোগীদের নিকট হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, জেলায় ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা ২হাজার ৯শত ৭টি। এর মধ্যে ১ম,২য় ও ৩য় পর্যায়ে বরাদ্দকৃত গৃহের সংখ্যা ১হাজার ৫শত ১৭টি। তারমধ্যে প্রস্তুতকৃত গৃহের সংখ্যা ১হাজার ৪শত ৪৫টি। ১ম, ২য় পর্ডায়ে হস্তান্তরিত গৃহের সংখ্যা ১হাজার ২শত ৩৯টি এবং ৩য় পর্যায়ে হস্তান্তর করা হচ্ছে ২শত ৬টি। পর্যায়ক্রমে বাকীগুলো করা হবে।

পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাহাড়ী অনেক জায়গায় পানি না থাকাতে কন্সট্রাক্শন কাজের কিউরিং করাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। যেহেতু পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা তাই এখানে যারা গৃহগুলো পাচ্ছেন তাদেরকে দলিল প্রদান করতে একটু সময় লাগবে বলে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এসব গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটিতে সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার এমপি, ও সভাপতি, খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের পদস্তকর্মকর্তা সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত থাকবেন।