শিরোনাম
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদক-অবৈধ অস্ত্র, আমরা সুন্দর এবং সুস্থ পরিবেশ চাইমানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই, কাপ্তাইয়ে গণসংবর্ধনায় দীপন তালুকদারসপ্তপূর্ণা’র স্বপ্ন পূরনে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে অগ্নিকান্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাইবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা সহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতারকাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট আবারো ৬ইঞ্চি খুলে দেয়া হয়েছেসুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান

খাগড়াছড়িতে মারমাদের সাংগ্রাই উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও জলকেলি উৎসব

৪২

॥ দহেন বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি ॥

মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধানতম সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব সাংগ্রাই উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। বুধবার (১৩ এপ্রিল) সকালে জেলা শহরের পানখাইয়া পাড়া বটতল প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। উৎসবের উদ্বোধন করেন ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, শুধুমাত্র বৈসাবি নামকরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। কারণ বৈসাবি দিয়ে তিনটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে বোঝানো হয়। কিন্তু পাহাড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২টি সম্প্রদায় রয়েছে। যারা কিনা ভিন্ন ভিন্ন নামে উৎসব পালন করে থাকে। আমরা পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায় এক হয়ে উৎসব পালন করতে চাই।

তিনি বলেন, যুগ যুগ ধরে আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রেখে বসবাস করছি। তা আমাদের ধরে রাখতে হবে। পাহাড়ের বিরাজমান পরিস্থিতি যারা ঘোলাটে করার অপচেষ্টা করছে তাদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন পিএসসি, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, সাংগ্রাই উদযাপন কমিটির আহবায়ক উচিং মং মারমা প্রমুখ।

এ সময় শান্তির পায়ড়া ও বিভিন্ন রঙিন বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। মারমারা নেচে গেয়ে শহরকে উৎসবমুখর করে তুলেন। শোভযাত্রাটি পুনরায় বটতলায় ফিরে এসে সাংগ্রাই এর প্রধানতম আকর্ষণ মৈত্রীময় জলকেলিতে অংশ নেন।