শিরোনাম
শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাতেও শেখান, ‘স্বপ্নবাহক’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচনমহালছড়ির মুবাছড়ি বন বিহারে শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিতপুলিশ বা প্রশাসন একা মাদক নির্মূল করতে পারবে নাজিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত যুব কমপ্লেক্সই আজকের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর: দীপন তালুকদারপানছড়িস্থ ৩ বিজিবি’র ৭৮ বছরের গৌরবের পথচলায় মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণযুব সমাজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেখাগড়াছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, ১৩ যুবক-যুবতী পেলেন ১৪ লক্ষ টাকার ঋণকাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ও যুবদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণখাগড়াছড়ির রামগড়ে গাঁজা ভর্তি প্রাইভেটকার সহ যুবক আটকরাঙ্গামাটিতে পাসের হারে শ্রেষ্ঠ কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ

বান্দরবানে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

৩৯

॥ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥

‘মুজিববর্ষের সফলতা, দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সফলতা ’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানে পালিত হয়েছে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসক চত্বর হয়ে প্রধান সড়ক হয়ে র‌্যালী বের করে পুনরায় একই স্থানে এসে সমাপ্তি হয়। পরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনের কনফারেন্স হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) ডা. মোঃ শেখ ছাদেক সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুদ্দুছ ফরাজি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে কুলছুম, বান্দরবান ডেপুটি সিভিল সার্জন থোয়াই অংচিং মারমা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র ষ্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল আলম, আনসার সার্কেল এডজিডেন্ট মো. হেলাল উদ্দীনসহ সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা ও গনমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

সভায় ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, দুর্যোগ হওয়ার আগে আমাদেরকে আগাম ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে আগাম প্রস্তুতি মাধ্যমে দুর্যোগের মোকাবেলা করতে পারি। তবে বর্তমান সময়ের ফেব্রুয়ারী হতে মে মাসের মধ্যখানে অগ্নিকান্ডের ঘটে। সেই অগ্নিকান্ডের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় ঘরবাড়ি পূড়ে যায়। সেই দিকে লক্ষ্যে করে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে প্রস্তুত থাকাত জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে অগ্নিকান্ডের ক্ষতিগ্রস্থদেরকে চাউল টিন, ইত্যাদি ঘটনা হওয়ার সাথে ত্রাণ পৌছে দিচ্ছি।

তিনি বক্তব্যে আরো বলেন, পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় হেডম্যান ও কারবারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাতে জুম পাহাড়ের অগ্নি দিলে সহজভাবে ফায়ার লাইন ব্যবস্থা রাখে। কেননা একজনের কারণে অন্যজনের ক্ষতি সম্মুক্ষীন পড়তে না হয়। পাশাপাশি বন্যায় ও দুর্যোগ মোকাবেলায় মাঠে ম্যাজিষ্ট্রেট থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই সবাইকে ঐক্যভাবে কাজ করার আহব্বান জানান তিনি।