শিরোনাম
হোমিওপ্যাথি’র জনক ডাঃ হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্মদিন পালন রাঙ্গামাটিতেপর্যটনের খাতে কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন একটি নতুন সম্ভাবনামাটিরাঙ্গায় বৈসাবি ও নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ খাদ্যশস্য বরাদ্দ প্রদানরাঙ্গামাটিতে বলাকা ক্লাবের উদ্যোগে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনরোয়াংছড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত চার পরিবারের পাশে জেতবন বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষুমানবতার সেবায় যুগান্তকারী চিকিৎসা দার্শনিক মহাত্মা “স্যামুয়েল হ্যানিম্যান”আমাদের ভাষা সংস্কৃতিকে যেন ভুলে না যাই সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে: উষাতন তালুকদারখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ক্ষত পাহাড় পরিদর্শনে কর্মকর্তারা, পরিবেশ আইনে মামলাপাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রানদীঘিনালায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে সহায়তা প্রদান

হোমিওপ্যাথি’র জনক ডাঃ হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্মদিন পালন রাঙ্গামাটিতে

॥ দেবদত্ত মুৎসুদ্দী ॥
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্মদিন পালিত হয়েছে রাঙ্গামাটিতে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক কল্যাণ পরিযদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা শাখা এর উদ্যোগে জন্মদিন পালন করা হয়।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে বনরপা মডার্ণ হোমিওপ্যাথি চেম্বারে রাঙ্গামাটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কল্যাণ পরিষদ এর উপদেষ্টা ডাঃ রূপম দেওয়ান এর সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মশফিকুর রহমান এর সঞ্চালনায়, এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রদান অতিথি সাবেক যুগ্মসচিব কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, বিশেষ অতিথি বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল উদ্দিন, রাঙ্গামাটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি, ডাঃ বকুল দেওয়ান , এ্যাডঃ ময়িন উদ্দিন, ডাঃ খলিল, ডাঃ দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, মিত্রা চাকমা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. ক্রিস্টিয়ান ফেড্রিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের জন্মদিন আজ। তিনি ১৭৫৫ সালে ১০ এপ্রিল জার্মানির স্যাঙ্গিন রাজ্যের মিসেন নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বে ১০ এপ্রিল তার জন্মদিবস পালিত হয়। তিনি ১৭৭৮ সালে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৭৯০ সালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার ও প্রচলন করেন। ফলে চিকিৎসা বিজ্ঞান কুসংস্কারমুক্ত, প্রাকৃতিক নিয়মনীতিনির্ভর, আরোগ্যকারী ও বিজ্ঞানমুখী চিকিৎসায় উন্নীত হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে শুচিত হয় নতুন যুগের, সে যুগের যুগস্রষ্টা হ্যানিম্যান। বক্তারা আরো বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা ডা. হ্যানিম্যানের নির্দেশিত পথে আরও বেশি নিবেদিত হয়ে রোগীকে আদর্শ আরোগ্য করাই হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য যে, ১৭৯০ সালে ডা. উইলিয়াম ক্যালেনের মেটেরিয়া মেডিকা বইটি ইংরেজি থেকে জার্মান ভাষায় অনুবাদের সময় তিনি এ বইটিতে দেখতে পান যে, সিংকোনা পাকস্থলীর ওপর টনিকের মতো কাজ করে। ম্যালেরিয়া ভালো করে। তিনি নিজের সুস্থ শরীরে গাছের ছালের রস সেবন করে শরীরে ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত হন এর ফলে তিনি নিশ্চিত হন যে, কোনো ওষুধ সুস্থ দেহে যে রোগ লক্ষণ সৃষ্টি করে তা এর সদৃশ প্রাকৃতিক লক্ষণের রোগীকে আরোগ্য করতে পারে। তার আবিষ্কৃত এই সদৃশ চিকিৎসা পদ্ধতিকে তিনি ১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে হোমিওপ্যাথি নাম দেন। বর্তমান এজগতের এক মহান ব্যক্তি নোবেল বিজয়ী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানী জর্শ ভিটোল কাস গৃীক দেশের বাসিন্দা। তার গবেষণা পদার্থ বিজ্ঞানীরা সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন ঔষধের অনুবটিকা সূক্ষ হতে সূক্ষতম মানব দেহে কিভাবে প্রবেশ করিয়ে রোগীকে আরোগ্য করে তা জর্জ ভিটেলিকাস প্রমান করে দিয়েছেন।