জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও রক্ষার জন্য আত্মসচেতন হয়ে কাজ করতে হবে
॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
যদি প্রকৃতির জীব বৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ ও তাদের পাশে থেকে রক্ষা না করি তাহলে আমাদের জনজীবনও হুমকির দিকে আস্তে আস্তে ধাবিত হবে এবং বর্তমানেও প্রকৃতির সেই হুমকি শুরু হয়ে গেছে। তাই আমাদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে যে যার অবস্থান থেকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও রক্ষার জন্য আত্মসচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। কাপ্তাইয়ে প্রকৃতি জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
শুক্রবার ২৭ (মার্চ) কানাডা গ্লোবাল এফেয়ারস (জিএসি) অর্থায়নে বাংলাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এর ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে ঊপড়ংুংঃবস জবংঃড়ৎধঃরড়হ ধহফ জবংরষরবহঃ উবাবষড়ঢ়সবহঃ রহ ঈযরঃঃধমড়হম ঐরষষ ঞৎধপঃং (ঊজজউ-ঈঐঞ) চৎড়লবপঃ এর সাব প্রকল্প ইরড়ফরাবৎংরঃু ঊপড়ংুংঃবস জবংঃড়ৎধঃরড়হ ভড়ৎ ঈড়সসঁহরঃু জবংরষরবহপব রহ ঈঐঞ (ইঊজঈজ ঈঐঞ) এর কাপ্তাই, বিলাইছড়ি এবং রাজস্থলী উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে উক্ত প্রকল্পের ন্যাচার টিমদের নিয়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকায় প্রকৃতি জীববৈচিত্র্য রক্ষার তাগিদে সারাদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়।
কাপ্তাই উপজেলা বায়োডাইভারসিটি এ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর বকুল তঞ্চঙ্গ্যা’র সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন পাল্পউড বাগান বিভাগ কাপ্তাই সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম দেওয়ান ও কাপ্তাই হেডম্যান এসোসিয়েশন এন সভাপতি থোয়াই অং মারমা এবং বিলাই ছড়ি এবং রাজস্থলী উপজেলা বায়োডাইভারসিটি এ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট কনসারভেসন ফ্যাসিলিটেটর মিঠুন মারমা ও জনি খিয়াং।
উক্ত প্রশিক্ষণে পার্বত্য চট্টগ্রামে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং রক্ষার উপর গুরুত্ব, প্রকৃতিতে থাকা সকল অসহায় এবং বিলুপ্তির পথে জীববৈচিত্র্যগুলোর সংরক্ষণ ও রক্ষা করার উপর বাস্তব ধারণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতি রাঙ্গামাটি জেলার হেডম্যান এসোসিয়েশন সভাপতি থোয়াই অং মারমা জানান, প্রশিক্ষণে সংশ্লিষ্ট তিন উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ন্যাচার টিমের সদস্যবৃন্দরাও অংশগ্রহণ করেন।