শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

দীঘিনালায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসক

১০

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
চট্টগ্রামের দ্বিতীয় চাকতাই খাতুনগঞ্জের পর পাইকারী বাজার খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী নতুন বাজারে আগ্নিকন্ডে ৩৫টি বেশি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক ও খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দুঃখ-দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। সেনাবাহিনী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একই দিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি। উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোররাতে দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। এতে বাজারের ৩৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং ব্যবসায়ীদের ৫কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে, তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা আবারও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা কার্যক্রম শুরু করতে পারেন।

এদিকে, জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।