শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

রাঙ্গামাটির লংগদুতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তৃতীয় তলায় নতুন কাজে আতঙ্কে মানুষ

॥ মোঃ আলমগীর হোসেন, লংগদু ॥
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার বৃহত্তর মাইনীমুখ বাজারে জেলা পরিষদের নির্মিত দুইতলা মার্কেট ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীবৃন্দরা বলছেন যে কোন মুহুর্তে ভবনটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। অথচ ভবনের তৃতীয় তলায় সংস্কার কাজ করা হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল, প্লাস্টার খসে পড়া এবং ছাদের অংশ ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থা। ক্ষতির মধ্যেই ভবনটির তৃতীয় তলায় সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। এতে করে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটির বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক স্থানে ছাদের অংশ ভেঙে পড়ায় নিচ থেকে তাকালে আকাশ দেখা যায়। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও কোনো ধরনের স্থায়ী মেরামত বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা না নিয়েই তৃতীয় তলায় কমিউনিটি ক্লাব নির্মাণের জন্য কাজ চলছে।
মাইনীমুখ বাজার কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজির হোসাইন বলেন, ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা ব্যবসায়ীদের নিরাপদে থাকতে সতর্ক করেছি। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এমন অবস্থায় কারা বা কীভাবে তৃতীয় তলায় আবার কাজ শুাং করেছে তা আমাদের জানা নেই। মানুষের জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দ্রুত সংস্কার কাজ বন্ধ করে ভবনটি ঝুঁকিমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে বাজার কমিটির সভাপতি কাশেম মেম্বার বলেন, ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার এরশাদ মন্ডল বলেছেন, ওপরের তলায় কাজ করলে কোনো সমস্যা হবে না। তাই অনুমতি দিয়েছি। তবে সম্ভাব্য দুর্ঘটনার দায় কে নেবে.এমন প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি।

ভবনটির তৃতীয় তলার কাজের বাজেট ও প্রকল্প সম্পর্কে জানতে ঠিকাদার মনির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটি জেলা পরিষদের বরাদ্দের কাজ। আমি ঠিকাদার হিসেবে কাজ পেয়েছি এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জেলা পরিষদের সদস্য মিনহাজ মোরশেদ এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

এদিকে বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কাজ বন্ধ না করা হলে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন। তাদের দাবি, উপজেলা বড় এই বাজারে প্রতি হাটবারে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ভবনটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।