শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে রোডম্যাপ সহ প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

৩৯

॥ মিলটন বড়ুয়া ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে প্রত্যারের আবেদনও জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী অধিবাসীবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (৫মার্চ) রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রুহুল আমীন এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী অধিবাসীদের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ৬১জন নেতবৃন্দ স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা একটি জাতীয় এবং রাজনৈতিক সমস্যা। এই সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে ২ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং চুক্তি অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী স্থায়ী অধিবাসীদের দ্বারা ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং নির্বাচন বিধিমালা প্রণীত না হওয়ার কারনে অদ্যবধি তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ বহাল রয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, নবনির্বাচিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন মন্ত্রী এবং আরেকজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক বলে বিবেচনা করা যায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ‘ঘ’ খন্ডের ১৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে যে, উপজাতীয়দের মধ্য থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগ করিয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষযক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হইবে। উল্লেখ্য যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক ও বিধিসম্মত নয় বলে গন্য করা যায়। ফলত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রদত্ত এ্যালোকেশন অব বিজনেস অনুযায়ী দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন করার ক্ষেত্রে জটিলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে যা কারোর জন্য কাম্য হতে পারেনা।

অতএব পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি যথাযত বাস্তবায়নের স্বার্থে তথা পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধানমন্ত্র্রীর নিকট তিনটি দাবিও উপস্থাপন করা হয়। যার মধ্যে সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে প্রত্যাহার করা, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী পদে কাউকে পদায়ন না করা এবং রোডম্যাপ প্রণয়ন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহন করা।