শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

লামায় রিক্সা চালক সমিতির সেক্রেটারি ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক, লামা ॥
লামা উপজেলা রিক্সা চালক সমবায় সমিতির অফিস কার্যালয় থেকে সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ সাখাওয়াত উল্লাহ কর্তৃক সমিতির মালামাল চুরি ও আত্মসাৎ করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬ইং) বিকেল ৫টায় সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলন সভাপতি মোঃ বাদশা মিয়া জানায়, লামা উপজেলা রিক্সা চালক সমবায় সমিতি লিঃ বিগত ১৯৮৪ইং সনে স্থাপিত হয়ে অদ্যাবধি পর্যন্ত কার্যক্রম চলে আসছে। বিগত ১১/০৭/২০২৫ইং তারিখে সমবায় আইন অনুযায়ী সমিতির কার্যালয়ে নিরপেক্ষ ভাবে তিনজন নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে সরকারি ব্যালেট এ নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এই নির্বাচনে আমি মোঃ বাদশা মিয়া বিপুল ভোটে নির্বাচিত হই এবং অত্র সমিতির মধ্যে ০৬ জন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি সমবায় কর্মকর্তাগণ সরকারি বিধি মোতাবেক গেজেটের মাধ্যমে সভাপতি সহ ৬ সদস্যকে অনুমোদন প্রদান করে। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত সুন্দর ও সুচারু ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। কিন্তু অত্র সমিতির দুইজন সদস্য বিগত দিনে আমার সাথে সমন্বয় না করে ভিন্নপথে পরিচালিত হয়ে অত্র সমিতির কার্যক্রমকে ব্যাহত করার জন্য রবিউল ও সাখাওয়াত উল্লাহ দুইজনে পরিকল্পিত ভাবে অফিস কক্ষের সমস্ত মালামাল চুরি ও আত্মসাৎ করে। ঐ চুরির ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে এবং ঐ দুইজনের বিরুদ্ধে লামা থানায় মামলা রুজু আছে।

তিনি আরো বলেন, সমিতির দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সদস্যদের মনজয় করার জন্য রশিদের মাধ্যমে ১০ টাকা করে সদস্যদের থেকে সামান্য টাকা আদায় করার ব্যবস্থা করি। ঐ ১০ টাকার মধ্যে ৫ টাকা আদায়কারীর বেতন বাকি ৫ টাকা সদস্যদের একাউন্টে জমা করি। কিন্তু কতিপয় কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা বানোয়াট কথা বলে আমার মান ক্ষুন্ন করেছে। বর্তমানে সমিতির একাউন্টে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩১৬ টাকা জমা আছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ব্যাংকে সদস্যদের আমানতের টাকা গুলো এই দুইজন (রবিউল ও সাখাওয়াতুল্লাহ) আমাকে অবহিত না করে সদস্যদের জমাকৃত টাকা গুলো চুরি করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একাউন্ট নং- ১০৫৮ থেকে টাকা উত্তোলন করার চেষ্টা করে। আমি তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে ব্যাংকে গিয়ে দরখাস্ত দিয়েছি যেন কেউ সদস্যদের আমানতের টাকা উত্তোলন করতে না পারে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি মোঃ বাদশা মিয়া, সহ-সভাপতি মোজাম্মেল উদ্দিন সোহাগ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়া, নির্বাচিত সদস্য হাবিল, মোঃ মাঈন উদ্দিন সহ প্রমূখ।