শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবনের থানচির দুর্গম সীমান্তে গণভোট কী জানেন না ভোটাররা

১০

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
বান্দরবানের থানচিতে দুর্গম ও গহীন সীমান্ত পাহাড়ি এলাকায় আসন্ন গণভোট সম্পর্কে অধিকাংশ ভোটারদের মাঝে এখনো অজ্ঞতা বিরাজ করছে। উপজেলা সদরে সীমিত প্রচার কার্যক্রম চললেও পাহাড়ি গ্রামগুলোতে কার্যকর কোনো তথ্য পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন সীমান্ত জনগোষ্ঠীর ভোটাররা।

এলাকাবাসী তাদের ভাষ্যমতে, দুর্গম সীমান্তের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যাতায়াত সংকট ও ভাষাগত সীমাবদ্ধতার কারণে উপজেলা সদরে হওয়া সভা, মাইকিং বা পোস্টারভিত্তিক প্রচারণা তাদের কাছে পৌঁছায় না। ফলে গণভোটের উদ্দেশ্য, ভোট দেওয়ার পদ্ধতি কিংবা সময়সূচি কোনো কিছুই তাদের স্পষ্টভাবে ধারণা পাচ্ছেন না।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, থানচির তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় বুলুপাড়া, কামসি পাড়া, রুংসোলা পাড়া, হুকু পাড়া, য়ংনং পাড়া, মথিপাড়া পাড়া, খেসাপ্রু পাড়াসহ বিভিন্ন গ্রামের ভোটাররা শুধুই জাতীয় নির্বাচনে পদপ্রার্থী নাম শোনেছেন, হ্যাঁ বা না গণভোট সম্পর্কে কিছুই জানেন না। ওখানকার ভোটারদের মধ্যে গণভোট সম্পর্কিত তথ্য ও সচেতনতার তীব্র অভাব রয়েছে।

এদিকে দুর্গম সীমান্তে ভোটার পাতোয়া ম্রো: (৬৫), শৈসাপ্রু মারমা (৪০), সুরমাইতি ত্রিপুরা (৩৩) জানান, “গণভোট কী, কেন হচ্ছে, কীভাবে ভোট দিতে হবে—এখনো কেউ বুঝিয়ে বলেনি। শুধু শহরে প্রচার চলছে, গ্রামে গ্রামে এসে উঠান বৈঠক করতে হবে। পুরুষরা বাজারে গেলে কিছু খবর পায়, কিন্তু দুর্গম সীমান্তের ভোটারদের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ গণভোট সম্পর্কে কিছুই জানে না।”

স্থানীয় সচেতনমহল বলেছেন, এবারে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দুর্গম সীমান্ত পাহাড়ি এলাকায় ভোটার ও গ্রামগুলোকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেই প্রচার কার্যক্রম চলছে। মাঠপর্যায়ে কার্যকর তদারকি ও গ্রামভিত্তিক প্রচার জোরদার না করলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বড় অংশ গণভোট প্রক্রিয়ার বাইরে থেকে যাবে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে চেয়ারম্যান, মেম্বার, শিক্ষক, হেডম্যান ও পাড়াপ্রধানদের মাধ্যমে লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্গমের পাহাড়ি এলাকায় ‘টকি সিনেমা’র মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ধাপে ধাপে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।