শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

পাহাড়ি ও বাঙালির সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক প্রশংসার দাবিদার: অধিনায়ক মাসুদ

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ মাটিরাঙ্গা জোন আওতাধীন কাঁঠাল বাগান এলাকায় এ বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির আওতায় শীতার্ত ও অসহায় ৩০০টি পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে মাটিরাঙ্গা জোনের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন নুর এ রেজওয়ান তৌফিক রেজবীর নেতৃত্বে প্রায় ৩৫০ জন পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

সময় মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি উপস্থিত জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর আলতাফ হোসেন, পিএসসি-জি, মেজর গাফ্ফারুজ্জামান, পিএসজিসহ অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা।

বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষুধ ও শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীরা মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। এ বিষয়ে জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি বলেন, পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এই অঞ্চলে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক রয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

উল্লেখ্য, এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সেনাবাহিনীর পারস্পরিক সম্প্রীতি, আস্থা ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।