শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাটিরাঙ্গা জোনে নিরাপত্তা ও মতবিনিময় সভা

১২

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় অবস্থিত ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি জোনের উদ্যোগে মাসিক নিরাপত্তা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় মাটিরাঙ্গা জোন সদর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জোন কমান্ডার মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মাসুন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, মাটিরাঙ্গা জোনের উপ-অধিনায়ক শাহরিয়ার। এছাড়াও সভায় সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (মাটিরাঙ্গা সার্কেল) কাজী ওয়াজেদ, মাটিরাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ শাহেদুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য প্রশান্ত ত্রিপুরা, মনজিলা সুলতানা, জয়া ত্রিপুর ও, পৌর বিএনপি সভাপতি শাহজালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতি জসিম উদ্দিন জয়নাল, বাজার পরিচলনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সায়েম মুকুট, উপজেলা জামাআত আমির আব্দুল জলিল, নাগরিক কমিটির প্রতিনিধি নুর আলম, হেডম্যান-কারবারি, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধিসহ স্থিতিশীলতা রক্ষায় করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মাটিরাঙ্গা জোন লে: কর্ণেল মাসুন খান কমান্ডার বলেন, পাহাড়ি এলাকায় শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। সেনাবাহিনী সর্বদা জনগণের পাশে আছে এবং যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত।

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। একই সঙ্গে বক্তারা মত দেন, এ ধরনের নিয়মিত মাসিক নিরাপত্তা সমন্বয় সভা পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।