শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বড় আদামের রীমা সংসারের খরচ যোগান দিচ্ছে ফুল বিক্রী করে

১৮

॥ দেবদত্ত মুৎসুদ্দী (গোপাল) ॥
ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ হয়তো খুবই কম পাওয়া যাবে না। প্রকৃতি ও সৌন্দর্যপিপাসু সখের বসে প্রায় মানুষ তাদের বাড়ির উঠানে বা ছাদে বিভিন্ন টবে ফুল চাষ করে থাকেন। কেউ বা আবার ফুলের গাছ টবে লাগিয়ে বাড়ির ছাদে, জানালার গ্রীলে, বাড়ির সামনের গেইটে রাখেন। কেউ কেউ এই ফুল বিক্রি করেই সংসার চালান।

তাদের মধ্যে রীমা চাকমা (৩৮) একজন। তিনি দু সন্তানের জননী। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বড় আদাম এলাকার বাসিন্দা, রীমা চাকমা ঘরের কাজ সহ ২ ছেলের পড়পলেখা দেখাশোনার পাশাপাশি ফুল বিক্রী করতে যায় বড় আদাম এলাকার পাশে বিলাইছড়ী বাজারে। তিনি সংসার চালানোর জন্য এবং একটু সচ্ছলতার আশায় বাজারে এসে মানুষের কাছে ফুল বিক্রি করেই চার সদস্যদের সংসাওে ভরণপোষনের যোগান দিচ্ছেন।

রীমা চাকমা বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে ফুল চাষ করছি বসত বাড়ীর চার পাশে। আমার স্বামী পাহাড় থেকে লাকড়ী কুড়িয়ে বিক্রি করে, কেনাবেচা তেমন ভালো নয়, আমার দুই সন্তান, বড় চেলের বয়স সারে নয় বছর, সে প্রাইমারিতে পড়ে, ছোট ছেলের বয়স পাঁচ বছর সে এখন শিশু শ্রেণীতে পড়ে। তাদের মানুষ করতে গেলে টাকার প্রয়োজন। আমিও ফুল বিক্রি করে পরিবারের খরচ চালাচ্ছি। বসতী জায়গায় সবজি চাষের পাশাপাশি গাদা ফুল জাতের বীজ বাজার থেকে এনে চাষ শুরু করি। এখন ফুল বিক্রি করেই দৈনিক তিন থেকে চার শত টকা লাভ হয়। সে টাকা দিয়ে সংসারের খরচ যোগান দেই।