শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

চুক্তি পার্বত্য চট্টগ্রামবাসী ও সরকারের সার্বিক উন্নয়নের ইতিবাচক দিক: পার্বত্য উপদেষ্টা

১০

॥ পাহাড়ের সময় ডেক্স ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চুক্তির ২৮তম বর্ষপূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। চুক্তির বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে তিনি বলেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কেবল একটি রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, এটি দেশের সংবিধানের আওতায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতার প্রতি পূর্ণআনুগত্য রেখে শান্তি, সহাবস্থান এবং ন্যায্যতার নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত একটি মহৎ অঙ্গীকার।

মঙ্গলবার (২ডিসেম্বর) ঢাকার বেইলি রোডস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে The Chittagong Hill Tracts Accord: Transforming harmony into prosperity শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত সচিব ড. রাশিদা ফেরদৌস এনডিসি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম কুমার চাকমা সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম,

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, চুক্তি পার্বত্য চট্টগ্রামবাসী ও সরকারের মধ্যে সার্বিক উন্নয়নের একটি বোঝাপড়া বলে উল্লেখ করেন, যা সকলের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতময় সমস্যার সমাধান করাই এই চুক্তির প্রক্রিয়া। তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করে বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যানদের মনোনীতের পরিবর্তে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত চেয়ারম্যান দরকার। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হন। পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদগুলোতে যেসকল বিভাগ হস্তান্তর করা হয়েছে, সেগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও প্রবিধান তৈরি করা জরুরি। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শে বিধি-বিধান সহজীকরণের চেষ্টা চলছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক ই-লার্নিং সুবিধা পৌঁছানো এবং সমতাভিত্তিক জীবনমান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ লাখ ৫ হাজার সোলার প্যানেল বিতরণ করা হয়েছে এবং আরও বিতরণের প্রয়োজন রয়েছে। সোশাল পুলিসিং বাস্তবায়নের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে নেগোসিয়েশন নিয়ে আলোচনা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক বলেন, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। ভোটের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম তিন জেলা পরিষদে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্ততি নেওয়ার দিকে এগোনোর কথা জানান। তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি এবং এজন্য একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরির চিন্তা করছে সরকার। শান্তি বজায় রাখতে বিতর্ওে পরিবর্তে পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার আহ্বান জানান।

সেমিনারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রজেক্টরের মাধ্যমে চুক্তির পর থেকে সরকারের ১ হাজার ৮০ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধিসহ সকল সাফল্যের চিত্র ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেন।