শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বিকল্প শ্রম সংস্থানের আগে প্রশাসনের কাছে আমরা ইটভাটা চালুর দাবী জানাই

১২

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥
ইটভাটা বন্ধ থাকলে আমরাতো দেনার দায়ে এলাকাছাড়া হয়ে যাবো। বিকল্প স্থানের শ্রম দিয়ে অর্থ উপর্জানের পরিস্থিতিও এখন নাই। অথচ পরিবেশ অধিদপ্তর আর প্রশাসন পিছু নিয়েছে ইটভাটা বন্ধ করার জন্য। কিন্তু আমাদের জন্য বিকল্প শ্রমের ব্যবস্থাতো করতে হবে প্রশাসনকে। না হলেতে আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হবে।

বাঙ্গালহালিয়া ও গাইন্দ্যার ইটভাটার নিয়োজিত শ্রমিক মংপ্রু মার্মা, ইয়াফা, কালুই মার্মা, জসিম, নুরুল আলম, কামরুল, নির্মল সহ অনেকে জানান, শ্রমের বিনিময়ে প্রাপ্য টাকা দিয়েই সংসারের জন্য খরচ করছি। এখন ভাটা বন্ধ থাকলে দেনার দায়ে পালিয়ে বেড়ানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। তাই বিকল্প শ্রম সংস্থানের আগে প্রশাসনের কাছে আমরা ইটভাটা চালুর দাবী জানাই।

এদিকে রাজস্থলী উপজেলার স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা জানান, রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় তিনটি ইটভাটায় স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙ্গালী মিলে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। এ পেশায় তাদের জীবন জীবিকা চলছে। এর বাইরে আরও প্রায় হাজারের অধিকের মতো পরোক্ক ভাবে শ্রম দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তারা আরও বলেন, সমতল জেলা বা চট্টগ্রাম, রাগুনিয়া, মহালছড়ি হতে পরিবহন করে রাজস্থলীতে উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব না। পাশ্ববর্তী জেলায় ইটভাটা করতে পারলে আমাদের এ উপজেলায় করতে পারবো না কেন? আমরা ইটভাটা মালিকদের বাঁচাতে আমাদের অন্তত আগামী ছয় মাসের জন্য ইটভাটা করার অনুমতি দেওয়ার জন্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু উপদেষ্টার নিকট বিনয়ের সহিত আবেদন জানাচ্ছি। অন্যতায় আমাদের সাথে বিমাতাসুলভ আচরণ করা হবে।

অপরদিকে স্থানীয় বাসিন্দা বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের, চিচুমা, জয়সেন, লারপ্রু, অংসহলা সহ অনেকে বলেন, এ অঞ্চলের ইটভাটা গুলো বন্ধ হলে শ্রমিকরা বেকার হয়ে গেলে জীবন জিবিকার জন্য অন্যের কাছে ধারস্থ হতে হবে এতে করে তাদের সময়ও লাগবে। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড যেমন চুরি, ডাকাতিসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডেও লিপ্ত হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে রাজস্থলীর ইট ভাটা মালিক ও স্থানীয়রা বলেন প্রতি বছর ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হচ্ছে সরকার কে তাই ইটভাটা মালিকদের বাঁচাতে আমাদের অন্তত আগামী ছয় মাসের জন্য ইটভাটা করার অনুমতি দেয়ার জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টার নিকট বিনয়ের সহিত জোর দাবী জানাচ্ছি।

প্রসংগত, এদিকে ইতিপূর্বে হাইকোর্টের নির্দেশে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে ১টি, গাইন্দ্যার দুইটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, রাঙ্গামাটি। এছাড়াও অবৈধ সব ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধের ডিসি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে করে উদ্বেগ ও অনিশ্চিতায় দিনকাটছে সংশ্লিষ্টরা।