শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানের থানচির নকতোহার ১২ গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সড়কপথে চলছে

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
সংস্কারের অভাবে দীর্ঘ নয় বছর ধরে বান্দরবানের থানচিতে নকতোহা গ্রামবাসীর যোগাযোগের কালভার্টটি বিপদজনক অবস্থায় পরিনত হয়েছে। সেখাকার সকল গ্রামের মানুষের সড়ক পথে যোগাযোগের এ কালভার্ট এখন কারো কারো মতে মরণ ফাঁদও বলছে।

থানচি উপজেলার নকতোহা গ্রামের কৌউক্ষ্যং ঝিরি এলাকার জরাজীর্ণ কালভার্টেও বেহাল দশার উপর দিয়েই দিয়ে চলাচল করেছেন অন্তত ১২ গ্রামের মানুষ। বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা অথবা কালভার্টটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিকল্প রাস্তা না থাকার কারণে বাধ্য হয়ে ঝুঁকিতে কালভার্ট দিয়ে পারাপার করতে হয় ১২ গ্রামের মানুষের। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও কালভার্টটির সংস্কার করাতে পারেনি। বর্তমানে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নির্দিষ্ট সময়ে বাজাওে নিতে না পেওে পন্যেও দামও সঠিকভাবে পাচ্ছেন না। স্কুল-কলেজে ছাত্র-ছাত্রীসহ জনসাধারণের অন্তত ১২টি গ্রামের মানুষের চলাচলের বিঘিœত হচ্ছে চরমভাবে। তারা জানান, এখানে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে যথেষ্ট কষ্টভোগ করতে হয়। গাড়িতো দুরের কথা হেঁটে পারাপার হতেও ভয় লাগে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন গ্রামীন উন্নয়নের অর্থে নির্মিত কালভাটর্টি তসময়ে নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরী করেন যার কারনে এই অবস্থা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫-১৬ অর্থসালে এলাকার জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নকতোহাস্থ মরিয়ম পাড়ার পাশ্ববর্তী কৌউক্ষ্যং ঝিড়ির ওপর প্রায় ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মরিয়ম পাড়া থেকে নকতোহা পাড়া পর্যন্ত এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নকতোহা পাড়া থেকে হানারাং পাড়া পর্যন্ত রাস্তায় ইটসলিং করা হয়েছে। কালভার্টের মাঝখানে বড় আকারে গর্ত এবং একটি অংশ ভেঙে রডগুলো বেরিয়ে গেছে। সেখানকার ইটসলিং রাস্তার বেহাল দশা। কোথাও কোথাও রাস্তার ইটগুলো উঠে এলোমেলো হয়ে গেছে। বর্তমানে ছোট-বড় যানবাহন চলাচল পুরোদমেই বন্ধ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে কৌউক্ষ্যং ঝিড়ির ওপর কালভার্ট ও ইটসলিং সড়ক নির্মাণ করা হলে এখন উভয়ই ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ছে। নির্মাণের কয়েক বছর না পেরোতেই কালভার্টটির পলেস্তরা খসে পড়ে এখন রযগুলো বেরিয়ে পড়েছে এবং রাস্তায় ইট উঠেগিয়ে গর্ত ও ভাঙন সৃষ্টি হয়েয়ে। বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘ নয় বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ আবু হানিফ জানান, নকতোহা পাড়ায় যাওয়ার পথে কালভার্টের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রামীণ সড়ক। সড়কের সংস্কার সহ কালভার্টটির দ্রুত সংস্কার কারার জন্য উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে জানান।

অপর দিকে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বলেছেন, এই কালভার্টের ব্যাপারে এলজিইডি দপ্তরের কর্মকর্তাদের অভিহিত করা হয়েছে। ঝুকিপূর্ণ সড়ক এবং কালভার্টের যেন দ্রুত সংস্কার কিংবা বিকল্প ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে বললেন ইউএনও।