শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

স্থানীয় জনগণের যৌথ অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সবার প্রত্যাশা

॥ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দুর্গম ভূয়াছড়ি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর বন্ধুত্বপূর্ণ ফুটবল খেলা। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকালে পূর্ব ভূয়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পাহাড়ি তরুণদের মাঝে ক্রীড়া চর্চার প্রসার, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের বাঘাইহাট জোনের ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার মেজর এমএম জিল্লুুর রহমান। তাঁর উপস্থিতিতে স্থানীয় দুই দলের ফুটবলারদের অংশগ্রহণে চলে টানটান উত্তেজনার এক আকর্ষণীয় ম্যাচ। খেলা ঘিরে পুরো মাঠজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ স্থানীয় দর্শকরাও নিজেদের সমর্থন ও উচ্ছ্বাস দিয়ে খেলোয়াড়দের আরও উদ্দীপ্ত করে তুলেন।

ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার বলেন, পাহাড়ি যুবসমাজকে সুস্থ ধারার বিনোদনে সম্পৃক্ত রাখতে সেনাবাহিনী সবসময়ই ক্রীড়ানুরাগী এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। খেলাধুলা তরুণদের সমাজ থেকে বিপথগামী হওয়া রোধের পাশাপাশি সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

টান টান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে গোল শূন্য ড্র দিয়েই ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের মাঝে উপহার প্রদান, সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডা ও ছবি তোলার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এ ইতিবাচক উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সামাজিক শানিন্ত, তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের যৌথ অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সবার প্রত্যাশা।