শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে খাগড়াছড়ির গুইমারা রিজিয়ন ও সিন্দুকছড়ি জোন

॥ মাইন উদ্দিন বাবলু, গুইমারা ॥
সম্প্রতি গুইমারার রামসু বাজারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সোমবার (২০অক্টোবর) মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে গুইমারা রিজিয়ন ও সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক একযোগে বিভিন্ন সহায়তামূলক কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।

গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আবুল কালাম শামসুদ্দিন রানা, পিবিজিএম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি-এর উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে, সিন্দুকছড়ি জোন স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যবই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে।

এ সময় সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে একটি মেডিকেল ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হয়। উক্ত ক্যাম্পে প্রায় ১৯০ জন পাহাড়ি ও ৮০ জন বাঙালি রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আবুল কালাম শামসুদ্দিন রানা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ইসমাইল শামস আজিজী, পিএসসি, জি। এ ছাড়া রিজিয়ন ও জোনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রিজিয়ন কমান্ডার তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রামসু বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র বাজার বয়কট, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে নিষেধ, পোড়া ঘরবাড়ি পরিষ্কার না করা এবং পুলিশের আটক সম্পর্কিত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি সকলকে এসব গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে, অতীতের দুঃখ-দুর্দশা ভুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পরামর্শ দেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সম্ভবপর আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।