শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

চলতি ডিসেম্বরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে- পার্বত্য উপদেষ্টা

॥ পাহাড়ের সময় ডেক্স ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে ৩টি করে মোট ৯টি স্কুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার (১৪অক্টোবর) বিকালে ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরা, যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা ই-লার্নিং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রোবটিকস ব্যবহার করাসহ গ্লোবাল কমিউনিটিতে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ইচ্ছা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০০টি ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে চাই। তিনি জানান, নির্বাচিত স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী ও দক্ষ শিক্ষকরা শহর থেকে অনলাইনে স্বেচ্ছায় পাঠদান করতে পারবেন, এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকের অভাব পূরণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই ই-লার্নিং স্কুলগুলো পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তাদের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী মানসম্পন্ন ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ প্রদান করবে।