শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানের থানচিতে সাড়ে তিন বছর পরে ফিরল আরো এক বম পরিবার

|| চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ||
সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকের ডাকাতি ঘটনায় কেএনএফের আতঙ্কে ভয়ে পালিয়ে যাওয়া বম জনগোষ্ঠীর মিজোরাম থেকে সাড়ে তিন বছরে পরে বান্দরবানের থানচিতে দুর্গম সীমান্তের প্রাতা পাড়ায় ৫ সদস্যদের এক পরিবার নিজ বসতবাড়িতে ফিরেছেন।

জানা গেছে, বিগত ২০২২ সালে কেএনএফ আতঙ্কে পালিয়ে নিজ বসতবাড়ি ছেড়ে মিজোরামে আশ্রয় নেয় তারা। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরে পরে বান্দরবানে ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড এর অধীনস্থ ১৬ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সহায়তায় প্রাতা পাড়ায় ফিরে আসেন ৫ সদস্যের লালমুন খুপ বম (৫৫) এর পরিবার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, থানচির দুর্গম এলাকায় প্রাতা পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর এক পরিবার ফিরেছেন। তারা রাঙ্গামাটি হয়ে বান্দরবানে এবং গত ৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেল বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পে এসে পৌছায়। বাকলাই পাড়া সেনাবাহিনীর তাদের প্রস্তুতকৃত সুস্বাদু খাবারসহ চিকিৎসা, শুকনা রসদ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর পরে বম জনগোষ্ঠীর ৫ জন সদস্যসহ এক পরিবারের নিজ বসতবাড়িতে ফিরেছেন।

এদিকে সাড়ে তিন বছরে পরে ফিরে আসার পরিবারের প্রধান লালমুন খুপ বম (৫৫) বলেন, ২০২২ সালে কেএনএফের আতঙ্কে তাদের ভয়ে সবাই জীবন রক্ষার্থে পালিয়ে যায়। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় নিজ বসতবাড়িতে বহু পরিবার ফিরেছে তা খবর পেয়ে পরিবারকে নিয়ে আমিও ফিরে আসছি। নিজ বসতবাড়িতে ফিরতে পেরে খুবই আনন্দিত ও খুশি।

১৬ ইষ্ট বেঙ্গলে বাকলাই পাড়া ক্যাম্পের সাবজোন কমান্ডার মেজর আসিফ জুবায়ের জানান, বম জনগোষ্ঠীর তাদের প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা সুবিধাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা সচেষ্ট ছিল, আছে এবং থাকবে। এছাড়াও পাড়ার শিশু ও কিশোর কিশোরীদের নিয়মিত স্কুলে যাওয়া এবং লেখাপড়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে।