শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

বিজয়া দশমীতে রাঙ্গামাটিতে গুর্খা সম্প্রদায়ের তিলক প্রদান উৎসব

॥ মনু মারমা ॥
বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে গুর্খা সম্প্রদায়ের বিজয়া তিলক প্রদান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। অশুভের বিনাশ ও সকলের শান্তি কামনায় গুর্খা সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠি বিজয়া তিলক প্রদান অনুষ্ঠান উদযাপন করে।

বৃহস্পতিবার সকালে (২অক্টোবর) শারদীয় দূর্গাপূজা বিজয়া দশমীতে শহরের বিভিন্ন মন্দিরে দশমীর অঞ্জলী প্রদান শেষে গুর্খা সম্প্রদায়ের ‘বিজয়া তিলক প্রদান’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়া তিলক প্রদানকে ঘিরে গুর্খা সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে চলে উৎসব।

এরই ধারাবাহিকতায় শহরে কন্টাক্টর পাড়ার সুর নিকেতন সংগীত শিক্ষালয় ভবনে বিজয়া তিলক প্রদান উৎসবের আয়োজন করা হয়। সুর নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর গুর্খার আয়োজনে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে এ উৎসব শুরু হয়। সুর নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর গুর্খা একে একে সকলকে তিলক প্রদান করেন। নীতি ভূবন চাকমা উপস্থাপনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাব নবনির্বাচিত সভাপতি আনোয়ার আল-হক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক রুনেল চাকমা, প্রেস ক্লাব সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সহ সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেলসহ গুর্খা সম্প্রদায় ও সুর নিকেতনের ছাত্র-ছাত্রী।

অনুষ্ঠানে সুর নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর গুর্খা বলেন, আদিকাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত গুর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ শারদীয় দূর্গা উৎসবের দশমীর দিনে এই ‘বিজয় তিলক প্রদান’ পালন করে আসছে। এই উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতি-ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহাদ্য বৃদ্ধি করে।