শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

লক্ষ্মীছড়িতে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

১১

॥ লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় আনন্দ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গত বুধবার (৩সেপ্টেম্বর) ২০২৫ সকালে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সকালে উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা শোভাযাত্রা নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে জড়ো হন। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরে প্রধান সড়ক গুলো প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো অনুষ্ঠানস্থল।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এম এ করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফোরকান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেনসহ বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। উপস্থিত বক্তারা বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয় এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মী সমর্থকদের ভাষ্য মতে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী দিনে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় হবে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলনে নতুন গতি আসবে।