শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানের লামায় অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
অবৈধভাবে নির্মিত ইটভাটা উচ্ছেদ কার্যক্রম এর অংশ হিসেবে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ২টি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়ে উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। হাইকোর্টের নির্দেশক্রমে বুধবার (১৩আগষ্ট) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অভিযান চালিয়ে ২টি ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো.রেজাউল করিম সহ প্রমূখ।

জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকায় হাইকোর্ট উপজেলার ৬টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ’র নির্দেশ দেন। নির্দেশনা মতে অভিযানের প্রথম দিনে গুড়িয়ে দেয়া হয় এলাহি ব্রিকস ও সেভেন ব্রিকস ম্যানু। এ কাজে সহযোগিতা করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেয়া হয় ইটভাটা গুলোর সব কার্যক্রম।

অভিযান চালিয়ে দুই ইটভাটা গুড়িয়ে দেয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো.রেজাউল করিম বলেন,পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকায় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আভিযানের প্রথম দিনে দুইটি অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে অন্য চারটি অবৈধ ইটভাটাও গুড়িয়ে দিয়ে উচ্ছেদ করা হবে। যেসব ইটভাটা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, সেসব ভাটার মালিকরা যদি আবার ও অবৈধভাবে ভাটার কার্যক্রম শুরু করেন,তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম।