শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

অবশেষে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু অর্থনীতির চাকাও ঘুরবে

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
মাছের প্রজনন সময় ও কার্প জাতীয় মাছ অবমুক্ত করার কারনে কাপ্তাই হ্রদে দীর্ঘ তিন মাস সকল প্রকার মাছ শিকার বন্ধ রাখার পর অবশেষে তা উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবছরের মত মাছের প্রজনন সময় এবং কার্পজাতীয় মাছ অবমুক্ত ও তা বেড়ে উঠার সমকে কেন্দ্র মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস হ্রদে মাছ শিকার বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের দেয়া পূর্ব আদেশ এর নির্দিষ্ট সময় পরিপূর্ণ হওয়ায় এ আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সুত্র জানিয়েছে।

এদিকে হ্রদে মাছ শিকার এর সময় সীমা কাছাকাছি আসায় গত এক সপ্তাহ ধরেই জেলেদের মাঝে আর্থিক সংকট মোছনের যেন তাগাদাও বেড়ে গেছে। হ্রদে মাছ শিকারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সরঞ্জামগুলো ইতিমধ্যেই যে যার মতো করেই প্রস্তুতি নিয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং মাছ সরবরাহকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছে। শনিবার (২আগষ্ট) মধ্যরাত থেকে মাছ শিকার করা যাবে প্রশাসনের এমন আদেশ পেয়ে জাল সহ অন্যান্য সকল প্রকার প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র সঙ্গে দিয়ে তাদের অধীন জেলেদের বুঝিয়ে দিয়েছে।

অপর দিকে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন সুত্র জানেিয়ছে, মাছ শিকার বন্ধ থাকাকালীন সময় হ্রদে কার্প জাতয়ি মাছ অবমুক্ত করা হয়েচিল ৬০ মেট্রিক টন মাছ। যা এ তিন মাসের মধ্যে এসব মাছও আকার এবং ওজনে বৃদ্ধি হয়েছে। সুত্র জানায়, গত ১মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার বন্ধা রাখা হয়। এ হ্রদেও উপর নির্ভর প্রায় ২৬ হাজার জেলে। ইতিমধ্যে হ্রদের পানিও যথেষ্ট পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার কারনে জেলে ও ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রানচাঞ্চল্যও ফিরে এসেছে। সেই সাথে সকলের অর্থনৈতিক চাকাও ঘুরবে ধীরে ধীরে কেটে যাবে অর্থনৈতিক মন্দাভাব।