শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

পাহাড়ের বিঝু মেলাতে পাঁজন তরকারি খুবই জনপ্রিয়

১৭

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
পার্বত্য অঞ্চলের বিঝু মেলায় সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার পাজন তরকারি। প্রায় ১০১পদ দিয়ে রান্না করা হয় জনপ্রিয় সুস্বাদু পাঁজন। পাঁজনের মধ্যে দেয়া হয় পাহাড়ের বিনাচাষে উৎপাদিত নানা জাতের শাক সবজি, কাঁচা কাঁঠাল, বাঁশকরুল, তারা, শিমুল তুলার শুকনো ফুল, শুকানো মূলা, পাহাড়ের বিভিন্ন ধরনের কচু, পাহাড়ের বিভিন্ন আলু প্রভৃতি। পাহাড়ের বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীদে সামাজিক উৎসবে বৈসু- সাংগ্রাই- চাংক্রান- বিঝু-বিহু-বিহু -পাতা অনুষ্ঠানে পাজন তরকারি প্রত্যকের ঘরে ঘরে রান্না করা হয়।

বিঝু মেলাতে এসে জয়া চাকমা বলেন, বিঝু মেলাতে আসলে বন্ধুরা মিলে আমাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন খেলাধুলা হয় দেখার জন্য আসছি। খেলাধূলার মধ্যে কড়ি খেলা, ভাংগুড়ি খেলা, হাডুডু খেলা, লুডু খেলা, রশি টানাটানি খেলাসহ নানা ধরনে গ্রাম্য খেলা অনুষ্ঠিত হয়। পাহাড়ের ঐতিয্যবাহী জনপ্রিয় খাবার পাজন তরকারি বন্ধু-বান্ধবরা মিলে খেতেও আসছি।

বিঝু মেলায় এসে পাজন খেয়ে সাংবাদিক মোঃ সোহনুর রহমান বলেন, পাহাড়ের নানা সবজি দিয়ে তৈরি করা সুস্বাদু পাজন আমি খেতে পছন্দ করি। বিঝু, বৈশাখ বা বৈসাবি যাই বলি মেলাতে পাজন অন্যতম একটি জনপ্রিয় খাবার। প্রতি বছর বন্ধ-ুবান্ধবসহ পরিবারের লোকজনেরা মিলে মেলায় এসে এই সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিয়ে থাকি। পাহাড়ি বাঙ্গালি সকল সম্প্রদায়ের কাছে পাজন খুবই প্রিয়। মেলায় আসলে সবাই পাজনের স্বাদ না নিয়ে যায় না। বিঝু মেলাতে পাজন বিক্রয় উদ্যোক্তা অনুশী চাকমা বলেন, পাহাড়ের বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠি পাজন প্রচীনকাল থেকে খেয়ে আসছে। পাহাড়ি সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বাঙ্গালি সম্প্রদায়ের মাঝে পাজন তরকারি খুবই জনপ্রিয়। মেলাতে পাঁজন সবচেয়ে বেশি বেঁচা হয়। মুরব্বিরা বলেন, পাঁজন খেলে শরীর স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার হয়।