পাহাড়ী দাদুর দুরবীণ হইতে মাননীয় প্রধান উপুদিষ্টা ড.মু. ইনুস দাদু’র নিকট খোলা চিঠি-০১
বাংলাদেশের অহংকার, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মাননীয় প্রধান উপুদিষ্টা ড.মু, ইনুস দাদু,. পত্রের শুরুতেই আমি পাহাড়-চুড়া, টিলা-নালার অভাগা, পোড়াকপাইল্লা, অধম, বেকুব লাঠি দ্বারা চলিত পাহাড়ী দাদুর হাজার কুঠি আদাব, নমস্কার-সালাম লইবেন। আশা করি মহান সৃষ্টি কর্তা লগে দেবদেবীর অশেষ কৃপায় ষড়যন্ত্রের বাংলাদেশের অন্তর্বুর্তি সরকারের প্রধান দায়িত্ব লইয়া বৈষুম্যহীন স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আশায় দেড় ডজন কুঠির মানুষ অ-মানুষ লগে নানান স্বপ্ন লইয়া দিন যাপন করিতেছেন। আমিও তিন পাহাড়ী জেলার ষোল লাখের অধিক দাদু-দিদি লইয়া পাহাড়ের তলায়, নালায়, চিপায়, কাপ্তাই হ্রদের ধারে, উপুরে টং বানাইয়া, জানপরান হাতে লইয়া, মুক্তিপন আর চাঁন্দা দিয়া, মাথা ফাঠাইয়া, ব্রাশ ফায়ার খাইয়া, ষড়যন্ত্রের জেল খাটিয়া, লুটপাঠ আর ঠেলা গুঁতোর পাহাড় পর্বতে গড়াগড়ি করিয়া, খাইয়া না খাইয়া কোন রকুমের বাঁচিয়া থাকিয়া এই পোড়াকপাইল্লা, অধম, হতভাগা, বেকুব পাহাড়ী দাদুর ভাঙ্গা দুরবীণ হইতে আপুনার দরবারে কিছু জানাইতে, পাহাড় পর্বত লইয়া ভাবিতে, ভাবাইতে, আগাইতে, ফাঁফিয়া, হাঁপিয়া, কাঁপিয়া, আইজ ০১ নম্বর চিঠিখানা লিখিয়াছি। দাদু’গো দয়া করিয়া পাহাড়ের এই অভাগা দাদু’র খোলা চিঠিখানা সময় দিয়া পড়িবেন, পাহাড় লইয়া ভালামন্দ ভাবিবেন, আগাইবেন, হ¹ল দিক ঠিক রাখিয়া পাহাড় শাসনের বৈষুম্যহীন ব্যবস্থাপত্রও বানাইয়া আগাইবেন।
পরম শ্রদ্ধেয়, শান্তিতে নবুলজয়ী বিশ^নেতা অধিকারী দাদু’গো যতদিন ক্ষেমতায় অধিষ্ট থাকিবেন এই অভাগাও পাহাড়ের চুড়ায় থাকিয়া পাহাড়-সমতল হ¹ল কোনার চরম-নরম বার্তা লইয়া আপুনার দরবারে প্রতি এক পক্ষে এক খানা খোলাচিঠি লিখিব, তয় নানান পরতের দাদু’গোর অপছায়ার দূর্বিফাঁকে পড়িয়া মইধ্যে মইধ্যে দুই নয়নেও ঝাপসা দেখিয়া পক্ষও অপক্ষে গড়াইয়াও যাইতেছে। পাহাড়েও নানান কিসিমের সাইন বোর্ড, আধিপত্য, চাঁন্দাপথ্য, ঘায়েলপথ্য, দখলপথ্য, অপকর্মপথ্যের বিস্তারে টানা দৌঁড়াইতে যাইয়া বহুতেরে বন্দুকের নলায় ফটর ফটর করিয়া পরপারে দিতেছে। পর্বতের বহুত কুস্তিগিরের মারপ্যাঁচে বহুতের জীবন সাঙ্গ হইতেই আছে। তয় ক’দিন বিরতি থাকিয়া আবার ঢুঁস-ঢুঁস করিয়া ফুটায়। বিচার আচার না পাইয়া লাগাতার অত্যাচার হইতে বাঁচিতে বহুতে ভাগ্য বদলে বৈদ্য+স্ট্রলোজারগোর দুয়ারেও ধর্ণা মারিতেছে। দেখিতেছি, বলিতেছে, বলাইতেছে এই ঘ্যাঁরাকলে পুড়িয়া অসহায় দাদু-দিদিরাতো পিষ্ট। কপাল ফাটা-চাম ফাটারা বুক চাপড়াইয়া ধরফরাইয়া জানপরান হেই আছে হেই নাই অবুস্থা। তয় বাঁচিয়া থাকিবার তাগিদে করুনাময় সৃষ্টিকর্তার দরবারে আঁকুতিও জানাইতেছে। যাউ¹া, এইবার পর বার্তা লগে পরামর্শ হইলো….
দাদু’গো, আমামীলীগ সরকারের সাবেক প্রধানমুন্ত্রী হাসিনা দিদি’র ষোল বছরের শাসনে তাইনের মুন্ত্রী এমপি লগে অংগসংগঠনের নেতাকর্মীগোর অত্যাচার আর চামফাঠা বৈষম্য’র রোলারে পিষ্ট হইতে হইতে শেষ-মেষ বৈষুম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার রোষানলে তাইনেরাই পিষ্ট হইয়া ক্ষেমতারে জনগনের দরবারে বুঝাইয়া না দিয়া স্বাধীন দেশ হইতে গা-ঢাকা দিয়াছে। ১ জুলাই হইতে ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতা-দেশ আর শাসকের চিত্র সমানে ফাঠাছেঁড়া হইয়া বিশে^র দরবারে বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযোদ্ধাগোর সোনার বাংলারে ছাইয়ের বাংলায় পরিণত করিয়াছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধ্বংস করিয়াছে। দেশের-দশের থানায় থানায় আগুন দিয়া বহুত পুলিশের জীবন কয়লায় পুরিনত হইয়াছে কিনা কুইশান দেখা দিয়াছে। বৈষুম্যবিরোধী ছাত্রগোর যৌক্তিক আন্দোলনের পিছনের দরজায় ঢুকিয়া জঙ্গি আর অসভ্যতার চিত্র-হামলায় বিশে^র বিবেকবান মুক্ত চিন্তার অধিকারী, বুদ্ধিজিবীগোর মাথামগজও যেন স্তম্ভিত হইয়া গিয়াছিল। ২০ জুলাই রাঙ্গামাটি শহরে বেদম পিটাইয়া অনিক চাকমা হত্যার ঘটনায় দোষীগোর শাস্তির আসয়-বিষয় হেইডাও অস্পস্ট রহিয়াছে। দাদু’গো দেশেতো চরম অধর্ম চলিতেছে, গোটা দেশে যেইভাবে মা-বইন গোরে ধর্ষণ করিয়া যাইতেছে লগে যোগ হইয়াছে চুরি-ডাকাতি এইভাবে চলিতে থাকায় বহুত স্থানে আইন-বিচার ক্ষেপা দাদু-দিদিগোর হাতে উঠিতেছে। এইসব বধ্ না করিয়া বহুতে ক্ষেমতার মসনদে বসিতে যেই পুতিযোগীতা চলিতেছে, বাকরুদ্ধ তামাম দুনিয়ার দাদু-দিদিরা নতুন করিয়া রক্তচোষা নেতেৃত্বের হাতে নিজেগোর জীবন দিতে চাহে না। তয় যাঁরাই ক্ষেমতায় যাইতে চাহিবে তারা জুলাই আগষ্টের চিত্র মনে রাখিয়া যাইবে এই অঙ্গীকারও লওনের দরকার। দাদু’রে পুতিহিংসার রাজনীতির জঞ্জাল পুরিস্কার করিতে মাস নয়, বছর গুণিতে চাইলেও দেশের দাদুদিদিরা না করিবেনা বলিয়াই মনে হইতেছে। কথায় কয় যারে কুমিরে গিলে হেই ঢেঁকি দেখিলেও ভয় পায়, বিষয় খানা ভাবিয়া দেখিবেন।
দাদু’গো, দেশের ফাঁটা-ছেঁড়া দাদু-দিদিরাতো আপুনারে বৈষুম্যবিরোধী বাংলার অহংকার বানাইয়াছে, তয় বৈষুম্য দুর করিয়া শোষণমুক্ত দেশ-নেতৃত্ব পুতিষ্ঠা করিবেন হেই স্বপ্নে আপুনার দরবারে মিনতি। তামাম দুনিয়ার শোষিতরা অধিকার পাইতে টানা ৩৬দিনের মইধ্যে বহুত বাপ-মা’য়ের বুক খালি হইয়া গিয়াছে। গনতন্ত্র নামের এই মহা অধিকার নালা নর্দমায় লাশ হইয়া পতিত হইয়াছে। প্রতিহিংসা পরায়ন রাজনৈতিক দলের লুটপাটের চিন্তা চেতনার অধিকারীগোর হাতেই গনতন্ত্র এখুন রোগতত্ব ভাষার হেই আইসিইউতেই বন্দী। দাদু-রে ডর-ভয়ে হোক আর ষড়যন্ত্রের হোক লুটেরা আর শোষক নেতৃত্ব পলাতক হইবেই তয় নতুন করিয়া শোষকশ্রেণীগোর পদার্পণ হইতে দেওন যাইবে না। আমাগো ছাত্র সমাজের সমন্বয়ক দাদু-দিদিগোর নামেও বহুত কিচ্চা কাহিনী বাহির হইতেছে। তাইনেগোর বিচক্ষনতার পুরিচয় খুজিয়াই পাইতে বহুত কষ্ট হইতেছে। তাঁগো আচার আচরণ বজ্জাত-ঝগড়াটে দাদু-দিদিগোর মতন মনে হইতেছে। ফ্যাঁচবুক, উটুব, ঠেলিভিশন নানান কিছিমের যন্তপাতির ভিশনেওতো বহুত ষড়যন্ত্র বাহির হইতেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমুয় তাইনেগোর পিছনের সারিতে দাঁড়াইয়া লুটপাট আর হত্যাযজ্ঞ চালাইতে বহুতে উঁৎ পাতিয়া রহিয়াছে। ধর্ষক, চোর-ডাকাইত, লুইচ্ছ্যা-বদমাইশ, গুন্ডা-পান্ডাগোরে দমাইতে আইন সৃংখলা বাহিনীর কাইজকাম সহজ করিতে হইবে। এখুন ছাত্র সমাজকে ঘরে ফিরিয়া গনমাধ্যমরে লইয়া বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা কওনের দরকার। তয় দাদু-রে ৮আগষ্ট শপথ গ্রহনের দিনও আপুনার ক্ষনিকের বিচলিত চেহারা এই পোড়াকপাইল্লারও কেুমন কেমুন মনে হইয়াছিল।
দাদু’গো আঠারকুঠি দাদু-দিদিগোর লুট হইয়া যাওয়া হাজার হাজার কুটি টাকা দেশে ফিরাইতে আপুনার পদুক্ষেপের ফলাফলের চিত্র দেখিতে হ¹লই অধির আগ্রুহে রহিয়াছে। হেই দিকে মনোনিবেশ করিতে ছাত্র আন্দোলনের সমুন্বয়কগোরে কাজে লাগান। হাসনাত, সারজিস, নাহিদ দাদুগোর আচার আচরণতো দেশ আর দশের মইধ্যে ক্ষোভ জন্মাইতেছে। তাইনেরাতো দেশের ইতিহাস ঐতির্হ্য মুছিয়া ফেলিতে ঘুম হারাম করিয়াছে বলিয়াই মনে হইতেছে। তাঁগো আচার আচরণে হ¹লদিকের শিষ্টাচার খুঁজিয়া পাওন মুশকিল হইতেছে। তয় ঠেলা-রিক্সা-ভ্যান,বাস-ট্র্যাক-টমটম চালকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করিতে দেখিয়াছি। সমুন্বয়কগোরে টাল-মাটালে ফালাইয়া বহুতে ক্ষেমতার চেয়ারে বসিতে স্ক্রু লগে ডাইভার লইয়া পুলিটিক্সের প্যাঁচ ঘুরাইতেছে। রাজধানীর ক্ষেপা রিক্সা চালক দাদু কহিলো সোনার বাংলার ইতিহাসে ধানমুন্ডির ৩২ নম্বরতো ধ্বংস করিয়াছে এইডা লইয়া দেশে-বিদেশে বাংলাদেশী পুরিচয় দিতেও ঘৃনা হইতেছে। চরম লজ্ঝা হইতেছে আপুনি দেশ-বিদেশে যাইয়া বিশ^নেতাগোর দরবারে এইগুলাইনের পুরিচয় কিভাবে উত্তাপুন করিতেছেন। বিশ^ও আপুনার দিকে তাকাইয়া রহিয়াছে মহাপাপের ঐ কাইজ কামের বিচার করিবেন কি-না? দাদুগো ৫২ হইতে ৭১’র ইতিহাস আপুনার পুরিষদের বহুতের মইধ্যেও আপুনি সর্বজ্ঞাত। সোনার বাংলার বহুত জাতিগুষ্ঠির ইতিহাসের হেই ধানমুন্ডির ৩২ নম্বর ধ্বংস লইয়া কারা কারা ষড়যন্ত্র করিয়াছে ইন্ধন যোগাইয়াছে তাঁগোরে বাহির করিয়া বিচার করিতে আপুনার পুরিষদ কি ফরমায়েশ করিয়াছেন জাতিতো হেইডাও জানিতে চাহে। বিচার-শাস্তি না হইলে এই চরম অপরাধের খেসারত আপুনাদেরও দিতে হইবে বলিয়াই মনে হইতেছে।
দাদু’গো স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু, বিশ^প্রিয় এই মানুষটিরে কি-না অসম্মান করিয়াছে, বঙ্গবন্ধুর মুর্তির উপুরে উঠিয়া পায়খানা প্রস্রাব করিয়াছে, জুতার মালা পড়াইয়াছে,গনভবনে ঢুকিয়া চুরি চামারি, সংসদ ভবনে ঢুকিয়া কি-না চরিত্র, চেয়ারে বসিয়া বিড়ি টানিয়াছে, এরাই কিভাবে দেশটারে সংস্কার করিবে জাতির বিবেকে কুইশান পাহাড় সম। যার ভিতরে সভ্যতার লানপালন রহিয়াছে ঐ চিত্রে হেই হ¹লই কষ্ট পাইয়াছে। দাদু-গো কোন কোন ক্ষোভ সভ্যতারে, ইতিহাসরে, গনতন্ত্ররে চিরতরে মুছিয়া ফেলিতে চাহে, আর কোন কোন ক্ষোভ এই তিনটারেই আরো মজবুত পিলারেই দন্ডায়মান করিতে চাহে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে দেশের লক্ষ লক্ষ অসহায় গৃহহীন দাদু-দিদিগোরে শেখ হাসিনা জমি লগে ঘরও বানাইয়া দিয়াছিল। আপুনিও গ্রামীণ দুঃখী মা-বোনগোরে যেইভাবে আলোর নীচে দাঁড় করাইয়া জাতি-দেশের উন্নয়ন করিয়াছেন, ঠিক হেইভাবেই ঘুনেধরা বাংলারে, রাজনীতিরে জ্ঞানের আলোতে ফিরাইতে যা সমুই পাইবেন তাই শক্ত হাতে কাজে লাগান। আমাগো এই দেশটারে কেউ কহিয়াছিল তলাবিহীন ঝুড়ি, আর কেউ কহিয়াছিল সম্পদে ভাসমান। বোমার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত পাকিস্তানীরাও কহিয়াছিল আর যাই হোক তাঁগো দেশটারে অন্তত বাংলাদেশ হইলেও বানাইতে। তয় দেশ লইয়া ষড়যন্ত্রের বহুত দেশী-বিদেশী চেলা-চামুন্ডারা এখুন বগলের তলে বাঁশি ফুটাইতেছে। এই সুযোগটা পাইয়াছে হাসিনা’র মূর্খ চেলা-চামুন্ডা, নির্লজ্জ লুটেরাগোর কারনে। এখুন বিএনপি-জামায়াত বৈষুম্যমুক্ত দেশ গড়নের যেই সুঁই সুতা চালাইতেছে বহুত স্থানে তাঁগোর বিরুদ্ধে আঙ্গুল উঠিতেছে, যা ঠাকুর ঘরে কে-রে, আমি কলা খাই নাই অবুস্থা। দাদু’গো আপুনার মননেও কিছু হইলেও পুলিটিক্স রাখিবেন, সাদা মনে থাকিলে তলে তলে বহুতে কাঁদা মারিতে দুই মিনিট ভাবিবে না।
দাদু-গো, আপুনার উপুদিষ্টার হ¹লেরে লইয়া নিত্যপ্রয়ুজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম কমাইতে জোরসে লাগাম ধরেন। দেশের হাট-বাজার রক্তচোষা চাঁন্দাবাজগোর খপ্পরে পড়িয়া আলুভর্তা দিয়া ভাত খাওনের দিনটারেও যাহাতে শেষ করিয়া না দেয়। নির্বাহী ক্ষেমতার হ¹ল ঘরের সংস্কার এক লগে করিতে যাইয়া লেজেগোবরে হইতেছে কিনা ভাবিবেন। সিটি কর্পুরিশন, জিলা-উপুজিলা পুরিষদ মেয়র-চেয়ারমনগোরে ঢালাওভাবে অপসারণ করিয়াছেন বহুতে মানিয়া লইয়াছে, তয় তাঁগো সদস্যগোরেও বাদ দেওনকি ঠিক হইয়াছে, এই বিষয়খানা এই অধমের মাথা মুন্ডুতেও ঢুকিতেছে না। যাগো বিরুদ্ধে ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ রহিয়াছে তাঁগোরেই অপসারণ করণ দরকার আছিল। দেশে দাদু-দিগোর এইসব পুতিষ্ঠানের সেবা পাওনের কাইজ কাম এখুনতো লেজে-গোবরে। উচ্চ শিক্ষাপুতিষ্ঠানের শিক্ষক লগে প্রধানগোরেও পদত্যাগে বাধ্য করা হইয়াছে হেইডাও কেমুন কেমুন আছিল। অভিভাবকহীন শিক্ষাপুতিষ্ঠানের পোলা মাইয়াগোর কি অবস্থা হইবে হেই ভাবনাও দরকার। শিক্ষাগুরু হইলো জ্ঞানের বাতিঘর হেই গুরুদের উপর যেই অত্যাচার-অবিচার হইয়াছে, যারা করিয়াছে তাঁগো ঘরে জ্ঞানীগুনির জন্ম হইবে কিনা মহা চিন্তা। আল্লাহ্, ভগবান, ইশ^র যে যেই নামেই ডাকুক সৃষ্টিকর্তা কিন্তু ছাড় দিবে না। হেই সমুয়ে পত্রপুত্রিকায় যা দেখিয়াছি, হুনিয়াছি বৈষুম্যবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা ঘরে ঢুকিলেও পরে এঁরা কারা। বহুতে শিক্ষা পুতিষ্ঠানে, আফিসে-আদালতে গিয়া লাগাতার হুমকীধামকি চালাইতেছে। তয় ক্ষেপা দাদু বহুতে কহিলো এরা নাকি প্রতিহিংসা পরায়নরাই আগে ভাগে ক্ষেমতার চেয়ারে যাইতেই এই আকাম চালাইয়াছে।
দাদু’গো পরম করুণাময় সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় ভালা-মন্দে আপুনার উপুদিষ্টাগোরে লইয়া দেশ পরিচালনা করিতে আন্তর্বুর্তী হাল ধরিয়াছেন। দেশ গেরামের দাদু-দিদিগোর একটাই ভরসা তাইনেরা আর লুটেরা রাজনৈতিক রাক্ষস খোক্ষসের পল্লায় উঠিতে চাহে না। এমনিতে মানব সৃষ্ট অত্যাচার,নারী-নির্যাতন, ধর্ষন-হত্যা, দূর্নীতি আর মাদকের ছোবলে পিষ্ট। তয় মানবতাবিরোধীগোর এইসব কাইজ কাম বধ্ করিতে আপুনার ডিসি, এসপি, আইনশৃংখলা বাহিনী, গুরিন্দা বাহিনীরে কড়া ওয়ার্ডার দেন। আমাগো আছিয়া মা’রে যেইভাবে রাক্ষুসে গিলিয়াছে হেইভাবে আরো বহুত আছিয়া ‘মা’ রাতের অন্ধকারে ঘোঁগড়াইয়া কাঁদিতেছে। আছিয়া ধর্ষণ-মৃত্যু ঘটনা লইয়া গোটাদেশের সভ্যমানুষের চোখের কোনে জল গড়াইয়াছে। তয় দাদুগো এই লজ্জ্যার বিচার যদি আপুনি আর আপুনার উপুদিষ্টারা করিয়া না যাইতে পারেন তাহা হইলে জাতি কিন্তু আপুনাগোরে ক্ষেমা করিবে না, শেষ মেষ নিজেগোর মান-সম্মান নালা নর্দমায় পুতিত হইবে কিনা ভাবিয়া দেখিবেন।
দাদু-গো জাতিরে কলঙ্কমুক্ত করিতে কঠিন উদ্যোগ লইবেন। তলে বলে শত্রুরাও উঁকি ঝুঁকির লাইন ধরিয়াছে। আপুনার মতন বিজ্ঞ দাদুরে জ্ঞান দেওন আমার মতন লাঠি দ্ধারা চলিত পোড়াকোপাইল্লা, অধম, বেকুব পাহাড়ী দাদুর জ্ঞান কতঠুকুই বা কাইজ-কামে লাগিবে, কথা হইলো হজাগ থাকিবেন, মানবতাবিরোধীদের ঘায়েল করিতে হার্ট লাইনে যাইবেন। আইজ আর বেশী লম্বা করিতে চাহি না। আয়রন, সিলভার, গোল্ডেন বুলেটে আবদ্ধ পাহাড় চুড়া লইয়া এই অভাগার বুকের পাঁজরে বহুত ক্ষোভ, দুঃখ বেদনা জন্মিয়া রহিয়াছে, খোলাসা করিয়া আপুনার দরবারে দু-চার কলম লেখিয়া পাবলিকের উপকার করিতে পারিলে জীবনের পরপারে যাইয়াও শান্তি। আইজ যা লিখিয়াছি ভুলভ্রান্তি হইলে মনে কষ্ট দিলে এই অভাগা পোড়াকপাইল্লা, অধম, বেকুবরে ক্ষমা করিবেন। দাদু-রে প্রতি এক পক্ষে আপনার নিকট লিখা এই বেকুবের খোলা চিঠিখানা একটু সময় হাতে লইয়া পড়িবেন। আপনি ও দেশের ১৮ কুঠি দাদু-দিদির জইন্য ঈদ মোবারক, হ¹লের সুখ শান্তির জইন্য আর্শিবাদ, দোয়া থাকিল, হ¹লদিকে দৃষ্টি রাখিবেন, স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখিবেন, ভালা থাকিবেন, হ¹লরে ভালা রাখিবেন। আইজ এই পর্যন্ত…..
ইতি,
আপনারই কুঠি কুঠি দাদু-দিদির পোড়াকোপাইল্লা, অধম, বেকুব
পাহাড়ী দাদু
গ্রন্থনা- এস.এস.বি.এম, তারিখ- ০৫এপ্রিল, ২০২৫ খ্রীঃ