শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

সমদৃষ্টি না রাখলে পার্বত্য উপদেষ্টাকে পাহাড়ে আবাঞ্চিত ঘোষণা করা হবে

১৪

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
অন্তবর্তী সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ঠা আবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমাকে পার্বত্য চট্টগ্রামে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে সচেতন ছাত্র জনতা। উপদেষ্ঠা কর্তৃক চরম বৈষম্য করার অভিযোগে শনিবার (২৯মার্চ) সকালে রাঙ্গামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গন থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সেখানে তাঁর কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়েছে।

ছাত্রজনতার অভিযোগ, পার্বত্য উপদেষ্টা কর্তৃক সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠনকে প্রকল্পের মাধ্যমে ও আর্থিকভাবে সহযোগীতা দেওয়া হয়েছে তাতে চরম বৈষম্যের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্টদের এবং এক পক্ষীয়ভাবে স্বগোত্রীয়দের এসব বরাদ্দ দিয়েছেন। যে দেশের মানুষ বৈষম্যের কারণে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতা ও দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে সেখানে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা ঐ আন্দোলনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে চরম বৈষম্যের সৃষ্টি করেছেন।

বক্তারা বলেন, পাহাড়ের জনগনের উন্নয়নে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ৮ কোটি টাকার বরাদ্দ নিজের স্বজন ও পলাতক আওয়ামীলীগের দোসরদের মাঝে বিলি বন্টন করেছেন। সম্প্রতি তাঁর দেওয়া এসব বরাদ্দ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক এবং পক্ষপাতমূলক বলে অভিযোগ করা হয়। তিনি রাষ্ট্রের সম্পদ সমবন্টন না করে স্বজনপ্রীতি এবং চরম বৈষম্যের সৃষ্টি করেছেন যা সরকারের নীতির বহির্ভুত। এধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ মেনে নেবে না। পার্বত্য উপদেষ্টার এই পক্ষপাত এবং বৈষম্য আচরনে ক্ষুব্ধ হয়ে সচেতন ছাত্র জনতা মিছিল পূর্ব পৌরসভা প্রাঙ্গনে কূশপুত্তলিকা দাহ করে। বরাদ্দ প্রদানে সামানুপাতিক হারে এবং সমদৃষ্টি না রাখলে তাঁকে পার্বত্য চট্টগ্রামে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে পার্বত্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া বরাদ্দ নতুন করে বৈষম্য দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের অনেকেই বলছেন এ ধরনের ঘটনার কারনে বঞ্চিতদের মাঝে হতাশার চিত্র দেখা দেবে যা কোন ভাবেই সুন্দর দেখায় না। সুতরাং বৈষম্যের বিরুদ্ধে যে আন্দোল হয়েছে তাতে বর্তমান সরকারের কোন উপদেষ্ঠা কর্তৃক নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত শোধরানো দরকার। এছাড়াও এ ঘটনা নিয়ে কেউ কেউ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে সম্প্রীতি নষ্টের জন্য তালগোল পাকাবে সেটাও হতে দেয়া যাবে না।