আত্মসামাজিক উন্নয়নমুখী নতুন পদক্ষেপও গ্রহন করতে হবে: চেয়ারম্যান
॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলাকা ভিত্তিক কিছু আত্মসামাজিক উন্নয়নমুখী নতুন পদক্ষেপও গ্রহন করতে হবে। তরমুজ ও আনারস চাষে যাহাতে কৃষক সহজে বাজারজাত করে লাভবান হয় সে বিষয়ে কৃষি বিভাগকে সুনজর রাখার আহ্বান। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর মাসিক সভায় চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার এসব কথা বলেন।
সোমবার (২৪মার্চ) সকালে পরিষদ সভাকক্ষে (এনেক্স ভবন) পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোহা: রিজাউল করিম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় জেলার হস্তান্তরিত বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন। এসময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে দেব প্রসাদ দেওয়ান, সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান,সদস্য এডভোকেট লুৎফুন্নেসা বেগম, সদস্য সাগরিকা রোয়াজা, সদস্য বৈশালী চাকমা, সদস্য দয়াল দাশ, সদস্য ড্যানিয়েল লাল মুয়ান সাং ডাংখোয়া, সদস্য বরুন বিকাশ দেওয়ান,সদস্য নাইউ প্রু মারমা,সদস্য মোঃ হাবীব আজম,সদস্য মিনহাজ মুরশীদ, পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুদ্দীন মোহাঃ শিবলী নোমান, পরিষদের ভুমি কর্মকর্তা উজলা রাণী চাকমাসহ হস্তান্তরিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার সভার শুরতেই হস্তান্তরিত বিভাগের প্রধান ও মাসিক সভায় উপস্থিত সকলকে আগাম বিজু,বাংলা নতুন বছর ও ঈদের শুভেচ্ছা জানান। চেয়ারম্যান বলেন, উৎপাদনমুখী যে সমস্ত বিভাগ রয়েছে উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য আগামী অর্থবছরে যাহাতে উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে প্রানী সম্পদ বিভাগ, মৎস্য বিভাগ ও কৃষি বিভাগকে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের যা করণীয় মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় রেখে সর্বাত্বক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। প্রকল্পের কাজের বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলাকা ভিত্তিক কিছু আত্বসামাজিক উন্নয়নমুখী নতুন পদক্ষেপ ও গ্রহন করতে হবে। যাহাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠি উন্নয়নের ধারায় অংশীদার হতে পারে। তরমুজ ও আনারস চাষে যাহাতে কৃষক সহজে বাজারজাত করে লাভবান হয় সে বিষয়ে কৃষি বিভাগকে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নীবির তত্বাবধানের মাধ্যমে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।
সভায় হস্তান্তরিত বিভাগের উপস্থিত কর্মকর্তাগণ স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন।