॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, আলীকদম ॥
বান্দরবানের আলীকদমে কারিতাসের just ecological transition agroecology program in the cht প্রকল্প সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষামূলক ভাবে বিভিন্ন জাতের গম চাষের প্রদশর্নী প্লটে মাঠ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০মার্চ ) সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকার সময় ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কাসেম মেম্বার পাড়ার এলাকায় প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন গ্রামের উপকারভোগীদের নিয়ে মাঠ দিবস পালিত হয়েছে।
মাঠ দিবসে কারিতাসের এগ্রো- ইকোলজি প্রকল্প সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের গম চাষ গবেষণা সহকারী ক্যথোয়াইপ্রু মার্মার সঞ্চালনায় কারিতাসের সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নেছারুল আলম খান এবং মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে কারিতাসের মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমা’র সভাপতিত্বে গম চাষী ও উপকার ভোগীরদের নিয়ে আয়োজিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা। মাঠ দিবসে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২ নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল, আলীকদম শান্তি রানী মিশন হতে সহকারী ফাদার রঞ্জিত কস্তা, প্রেস ক্লাব সভাপতি সাংবাদিক মমতাজ উদ্দিন সহ স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
কারিতাস সূত্রে জানা যায়, কারিতাস সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের আওতায় ২ নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের কাসেম মেম্বার পাড়া এলাকায় পরীক্ষা মূলক ভাবে গমের ৮ টি বীজ রোপন করা হচ্ছে হয়েছে যেমন- বারিগম-৩০,বারিগম-৩২, বারিগম -৩৩, গম ইডগজও -১, গম ইডগজও-২,গম ইডগজও-৩, গম ইডগজও-৪,গম ইডগজও-৫,গম জাতের গম বপন করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা বলেন, আলীকদম উপজেলায় গম চাষের জন্য উন্নত বীজ হিসেবে বারিগম -৩৩ ও নতুন বি ডব্লিউ এম আর আই – ৫ জাতের বীজ বপন করতে পারেন। গম চাষের উপর তেমন খরচ নেই, ৩ মাসের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।গম চাষ করতে হলে পানি নিশ্চিত করতে হবে,পানি না থাকলে গমের বীজ বপন করলেও তেমন ভালো ফলন হবে না জানান তিনি।
কারিতাসের সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমা বলেন, আলীকমে কারিতাস তত্ত্বাবধানে বিগত ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে গম চাষের পরীক্ষামূলক চাষাবাদ শুরু হয়। এ সময় চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের সিরাজ কার্বারী পাড়ায় এগ্রো- ইকোলজি- সিএইচটি প্রকল্পের ৮ জন উপকারভোগী নিয়ে ২০১৯ এর ডিসেম্বরে বারী গম-৩৩ জাতের চাষ শুরু করা হয়। তুলনামূলক রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈবসারের পরিমাণ বাড়িয়ে গম চাষাবাদে দেখা গেছে বি ডব্লিউ এম আর আই-৫ এর ফলন ভালো হয়েছে। গম চাষ বৃদ্ধি করা হলে অত্র উপজেলার কৃষকরা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষ থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।