[vc_row][vc_column css=”.vc_custom_1596871563159{margin-bottom: 0px !important;}”][vc_column_text css=”.vc_custom_1596874329023{padding-top: -30px !important;}”]

শিরোনাম
পার্বত্য উপদেষ্টার সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎগ্রেফতার হলো রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকখাগড়াছড়ির রামগড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় গ্রেপ্তার- ২খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় গৃহবধূ ধর্ষণ ঘটনায় যুবক আটকবাঘাইছড়িতে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হত্যার ৬ বছর, জড়িতদের বিচার দাবিজামায়াতে ইসলামী গুইমারা উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিলবান্দরবানের লামায় প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ ঘটনায় গ্রেফতার ১বান্দরবানে খিয়াং জনগোষ্ঠীর ভারসাম্যহীন নারী ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিবাদরাবিপ্রবিতে মাদকবিরোধী বির্তক প্রতিযোগিতা ২০২৫ অনুষ্ঠিতরাঙ্গামাটিতে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
[/vc_column_text][/vc_column][/vc_row]

বাঘাইছড়িতে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হত্যার ৬ বছর, জড়িতদের বিচার দাবি

॥ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষে সাজেক থেকে ভোটের ফলাফল নিয়ে উপজেলা সদরে ফেরার পথে ৯ কিলোমিটার নামক স্থানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৮ জন নিহত ও আহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকাল ১১ টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে আহত ও নিহত পরিবার পূর্ণবাসন বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

ঐ ঘটনার বিচার দাবি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রদান নির্বাচন কমিশনার,সচিব, জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি পেশ করেন নিহতের স্বজনরা। ওই ভয়াবহ ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ৩৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিলেন। আহতদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ঘটনার পর সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যদের পুর্নবাসন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি আজও।

এসময় পাকুজ্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহত আবু তাহের এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, বাঘাইহাট আনসার ভিডিপি পিসি আহত মোঃ কবির হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মোস্তফা কামাল,আহত মাহাবুব আলম সহ নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ও নিহত পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।