শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানের লামায় স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে গণধর্ষণ

১১

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
বান্দরবানের লামায় স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মিরিঞ্জায় অবস্থিত মিরিঞ্জা ভ্যালী ও মিরিঞ্জা ভ্যালী এগেইন নামক দুইটি রিসোর্টে স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে ছয়জন মিলে গণধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে লামা থানায় মামলা দায়ের করেছে। বুধবার (১২মার্চ) ধর্ষণের শিকার ওই নারীর দায়েরকৃত এজাহারের পর পুলিশ ওই নারীর স্বামী রুবেল (৩২) ও তার বন্ধু সাগর (৩০) কে গ্রেপ্তার করে।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মিরিঞ্জা পর্যটন এলাকায় অবস্থিত রিসোর্ট মিরিঞ্জা ভ্যালীর নাইট গার্ড লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকার আবুল কাশেম (বোবা) এর ছেলে রুবেল (৩২) তার ২য় স্ত্রী কে নিয়ে গত শনিবার রিসোর্টে যায়। সেখানে ওই নারীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চারদিন রেখে ছয়জনে মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। গত মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার নারী রিসোর্ট থেকে পালিয়ে লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঐ নারী থানায় গমন করে পুলিশের নিকট পুরো ঘটনা বর্ণনা করে। এই ঘটনায় চারজনকে এজাহার নামীয় ও দুইজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ধর্ষণের শিকার নারী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। মামলার অন্য আসামীরা হল, লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকার দানু মিয়ার ছেলে জহির (৪০) ও লাইনঝিরি এলাকার কবিরের ছেলে মামুন (২৮)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা দুইজনকে আসামী করা হয়েছে।

লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, মিরিঞ্জা ভ্যালী ও মিরিঞ্জা এগেইন দুইটি রিসোর্ট’ই স্বামীর সহায়তায় এই নারীকে ছয়জনে ধর্ষণ করেছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।