শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভা

রামগড়ে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে বহিস্কার

৪১

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে মাস্টারপাড়া তা’লীমুল উম্মাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মোঃ আব্দুর সামাদ।

হেফজো বিভাগের ছাত্র নাঈমুল ইসলাম নাঈম এর মা খোদেজা বেগম (৪৫) জানান, আমার ছেলে মাদ্রাসা থেকে কোরবানির ঈদের আগে হঠাৎ একদিন বাড়িতে আসে। মাদ্রাসা থেকে আসার পর সে আর মাদ্রাসায় যেতে চায় না। অনেক জোরাজুরি করে মাদ্রাসায় পাঠিয়েছি এরপর সে আবার বাড়িতে চলে এসেছে। ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলে, সে বলে মাদ্রাসায় আর যাবে না। কেন যাবে না এমন প্রশ্ন করা হলে ছেলে বলে মাদ্রাসার হুজুর সামাদ তার সাথে খারাপ কাজ করতে চায়, বাথরুমে ঢুকিয়ে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করেছে সেজন্যে আর মাদ্রাসা যাবে না। ভুক্তভোগী ছাত্র নাঈমুল ইসলাম নাঈম (১১) জানান, আমাকে হুজুর ভয় দেখিয়েছেন এবং বিষয়টি কাউকে বলতে নিষেধ করেন।

জানা গেছে, মোঃ আব্দুস সামাদ রামগড় উপজেলার কোর্ট মসজিদের ইমাম কাম মোয়াজ্জিম হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি মাষ্টার পাড়া তা’লীমুল উম্মাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকের চাকরি করেন। মোঃ আব্দুস সামাদ রামগড় পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড চৌধুরী পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল খালেক মোল্লা এর ছেলে। এছাড়াও তিনি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ আব্দুর সামাদ এর কাছে সত্যতা জানার জন্য একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, ছাত্রের পরিবার থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা মাদ্রাসার সুনাম রক্ষার্থে শিক্ষক মোঃ আব্দুস সামাদ কে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার এবং সে মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন, সেখান থেকে ও বরখাস্ত করা হয়েছে।

রামগড় থানার উপ-পরিদর্শক (এস,আই) মহসিন মোস্তফা জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ থানায় আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।