শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

রাঙ্গামাটিতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা

৮৫

॥ তুফান চাকমা ॥

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর ড. কাঞ্চন চাকমা এর সভাপতিত্বে শহরের গাউছিয়া মার্কেট সংলগ্ন অ্যাড. তোষণ চাকমার চেম্বারে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাড. দর্শন চাকমা ঝন্টুর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অমল কান্তি চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তোষণ চাকমা, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শিশু মনি চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. নিখিল চাকমা, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. জীবন বিকাশ চাকমা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা, সদস্য অ্যাড. প্রোজ্জ্বল চাকমা, সদস্য অবিনাশ চন্দ্র চাকমা, সদস্য তুফান চাকমা, সাবেক ছাত্রনেতা সুখেন চাকমা সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের আজকের এই দিনে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি পাকিস্তানি কারাগারে বন্দি অবস্থায় ছিলেন। স্বাধীনতার যুদ্ধ শেষে ৮জানুয়ারি কারামুক্তি লাভ করে তিনি লন্ডন যান এবং দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন। জাতির জনকের কারণে আজকে আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পেরেছি। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এই দেশ কখনো স্বাধীন হতোনা। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন। তিনি এই দেশকে সোনার বাংলা হিসাবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বর্তমানে তার সুযোগ্য কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্রী শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। এই দৃশ্যমান উন্নয়নের কারণে তিনি চতুর্থবারের মতো আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সভা শেষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের ১বর্ষ ফুর্তি উপলক্ষে কেক কাটেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা।