শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে বললেন লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তফা

সরকারের নিয়মনীতি মানেনা এনজিও ‘সেভ দ্যা সিলড্রেন ও গ্রাউস’

১০৬

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
সরকারের পক্ষ থেকে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার না করতে বলা হলেও এনজিও সেভ দ্যা সিলড্রেন ও গ্রাউস এই শব্দটি বার বার ব্যবহার করছে। তারা সরকারের নিয়মনীতি মানছেনা। শনিবার (২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) লামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে সেভ দ্যা সিলড্রেন এর সহযোগিতায় এনজিও গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস) এর বাস্তবায়নে “বিজিডি ইমার্জেন্সি ফ্ল্যাশ ফ্লাড রেসপন্স বান্দরবান-২০২৩” প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল।

অনুষ্ঠানে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তনু কুমার দাশ, লামা পৌরসভার মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম, গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, লামা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, রূপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু মার্মা, সেভ দ্যা সিলড্রেন এর টেকনিক্যাল স্পেশালিষ্ট মোঃ সোহেল মিয়া, গ্রাউস এর প্রজেক্ট ম্যানাজার আবু তালহা, ফাঁসিয়াখালী ইউপি সচিব শহীদুল ইসলাম, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে গ্রাউসের পক্ষ থেকে প্রজেক্ট ম্যানাজার আবু তালহা বলেন, উক্ত প্রকল্পের আওতায় লামা উপজেলায় ৮২০ পরিবারকে নগদ ৫৫০০ টাকা এবং ৪০১৭ পরিবারকে কিচেন কিট বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পের বাস্তবায়ন সময়কাল ১লা অক্টোবর থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৩ইং।

এদিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ২০১৯ সালে এক প্রজ্ঞাপন জারি করার মাধ্যমে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার না করতে বলা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে যাতে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার না করা হয়, কারণ বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাংলাদেশে বসবাসরত বিভিন্ন ছোট ছোট সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীকে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃ-গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এর আগেও ২০১০ সালে আরেকটি প্রজ্ঞাপনে একই বিষয়ের অবতারণা করা হয়।