শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুর্বৃত্তদের ব্রাশ ফায়ারে নিহতদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ

১৫৯

॥ ইব্রাহীম, বাঘাইছড়ি ॥

২০১৯সালের ১৮মার্চ ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন শেষে বাঘাইহাট হতে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে ফেরার পথে ৯কিলো নামক এলাকায় দুর্বৃত্তদের ব্রাশফায়ারে ঘটনস্থালে ৬ ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১জন মৃত্যু বরণ করেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা ও নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তারের উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মিত হয়।

বুধবার দুপুরে স্মৃতিস্তম্ভে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম ও সাগরিকা চাকমা, ইউপি চেয়ারম্যান অলিভ চাকমা, আপন চাকমা, বিল্টু চাকমা, নির্বাচন অফিসার চৈতালী চাকমা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান প্রমুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আমি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাথে ভালোভাবে পরিচিত হয়েছি ২০১৯ সালের ১৮ মার্চের নির্বাচনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এরমধ্যে বাঘাইছড়িতে এসে অনেকের দাবী পেলাম সেই ঘটনায় নিহতদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য। উপজেলা চেয়ারম্যানের আগ্রহে অবশেষে নির্মিত হলো স্তম্ভটি।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে নিহতদের পরিবারের দাবী এবং আমাদের উদ্যোগ ছিলো একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অবশেষে আজ নির্মিত হলো। আমাদের ভালো লাগছে শহীদদের নাম বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারবে।

শহীদ মিহির কান্তি দত্তের ছেলে পিয়াল দত্ত বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও মহোদয়ের প্রচেষ্টায় আমাদের দাবীটি পূর্ণ হলো। এখন অন্তত প্রতি বছর তাদের স্মরণে একটু দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবো।