শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

৫০ বছরেও পাকা ভবন পায়নি চিৎমরম দূর্গম চাকুয়া সঃ প্রাঃ বিঃ

২০৭

॥ মোঃ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৩নং চিৎমরম ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। স্বাধীনতা পূর্ব ১৯৬০ সালে দূর্গম এলাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার বিস্তার লক্ষ্যে তদানিন্তন সরকার বেসরকারিভাবে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। তৎমধ্যে ১৯৭৩ সালে এই বিদ্যালয়টিও সরকারিকরণ করা হয়। কিন্তু সরকারি হবার পরও অদ্যাবধি ৫০টি বছর পার হলেও এখন টিনসেট ভবনে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এই স্কুলের নেই কোন পাকা ভবন। এছাড়া শ্রেণী কক্ষও অপ্রতুল। চিৎমরম বাজার হতে ৭কিঃমিঃ দক্ষিণে হল চাকুয়া প্রাইমারী স্কুল। দূর্গম পাহাড়ী ঐ স্কুলে যেতে একমাত্র বাহন হল মোটরসাইকেল। বর্ষার দিনে মেঠোপথে যেতে স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বড়ধরনের বেগপেতে হয়।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হাসান জানান বিদ্যালয়ে প্রাক প্রাথমিক হতে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সর্বমোট ৮৩জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষক রয়েছে । টিন সেট দেওয়া একটি ভবনের ৩টি কক্ষে পাঠদান হয়। এবং আর ১টি কক্ষ অফিস ঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্ষা মৌসুমে ক্লাস রুমে পানি পড়ে, ফলে শ্রেণী কার্যক্রম ব্যহত হয়। তাই স্কুলের জন্য একটি নতুন ভবন জরুরী প্রয়োজন।

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সুইহ্লা মং মারমা বলেন, আমাদের এ গ্রামে ২ শ’ মারমা পরিবারের বসবাস। এই গ্রামে কোন হাই স্কুল নেই। আছে শুধু ১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ টিন সেট ঘরে আমাদের শিশুরা ক্লাস করে এবং শিক্ষকরাও ক্লাস করান। কিন্তু এখানে একটি পাকা ভবন জরুরী দরকার।

সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন দূর্গম চাকুয়া পাড়ায় সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি বিদ্যালয়টির শ্রেণী শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, আমি নিজে দেখেছি এই স্কুলের জরাজীর্ণ অবস্থা। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

কাপ্তাই উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার আশীষ কুমার আচার্য্য বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিইডিপি-৪ এর আওতায় চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৫সালের মধ্যে সকল বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। চাকুয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও আশা করছি শীঘ্রই ভবনের বরাদ্দ চলে আসবে। এবিষয়ে কর্তৃপক্ষ খুবই আন্তরিক।