শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

৩টি থেকে এখন ৬২ ছাগল

কাপ্তাইয়ে ছাগল পালনে সফল উদ্যোক্তা ইউসুফ

১৪৭

॥ মোঃ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪ নং ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের তালপট্টি এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইউসুফ ছাগল পালন করে এখন লাখ টাকা উপার্জন করছেন। তিনি বিএফআইডিসি, কাপ্তাই লাম্বার প্রসেসিং কেন্দ্রের (এলপিসি) একজন মাষ্টার মেকানিক পদে কর্মরত রয়েছেন।

৪ বছর আগে সখের বসত ১৩হাজার টাকা দিয়ে ৩টি রাম ছাগল কিনে বাসার সামনে খামার করে লালন-পালন শুরু করে। ৩টির মধ্যে একটি ছাগল কুকুরে মেরে ফেলে। ক্রয় করার পর একটি ছাগলের নাম রাখে বুড়ি। বুড়ি ছাগল হতে জন্মনেয়া ও অন্যন্য ছাগল মিলে বর্তমানে তাঁর খামারে মোট ৬২ টি বিভিন্ন জাতের ছাগল রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকার বেশি হবে। এমনকি গত ৪ বছরে প্রায় ৩ লাখ টাকার ছাগল বিক্রিও করেছেন তিনি। পাশাপাশি দেখা শুনার জন্য ২জন কর্মচারী নিয়োগ করা হয়েছে। চাকরীর পাশাপাশি অবসরে ছাগলের খামরে বাকী সময় ব্যয় করেন মোঃ ইউসুফ ।

মোঃ ইউসুফ জানান, ২০১৯ সালে অনেকটা শখের বসে ৩ টি দেশী রাম ছাগল কিনে বাসায় পালন শুরু করি এই ৩ টি ছাগল থেকে বংশবৃদ্ধি হতে হতে বর্তমানে ছোট বড় মিলে খামারে বর্তমানে ৬২টি ছাগল হয়েছে। তৎমধে রাম ছাগল, দেশী ছাগল এবং পাঁঠা ছাগল বেশী। প্রতি কোরবানি ঈদে দেশী ছাগল এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মনসা পুজায় পাঁঠা ছাগল বিক্রি করে আমি বছরের লাখ টাকার কাছাকাছি লাভ করে থাকি। গত বছর তিন লাখ টাকার ছাগল বিক্রয় করেন। তার খামারের দেখা শুনার জন্য ২ জন লোক রেখেছি। তাদেরকে মাসে মাসে বেতন দেন।

তিনি আরোও বলেন, সমাজে অনেক বেকার ও শিক্ষিত যুবক-যুবতী রয়েছে। তারা বেকার সময় ও চাকরীর পিছনে না ছুটে আমার মত ছাগল কিনে লালন-পালন করলে অবশ্যই স্বাবলম্বী হবে। বর্তমানে ছাগলের খাবারের দাম বাড়াতে আর বেশি ছাগল পালন করতে পারছি না বলে জানান।

কাপ্তাই উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এনামুল হক হাজারী ও ভেটেরিনারি হাসাপাতালের সার্জন জাকিরুল ইসলাম জানান, কাপ্তাই উপজেলার মধ্যে একজন সফল মডেল খামারি মোঃ ইউসুফ। ৩টি ছাগল হতে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। আমরা ঐ খামারিকে সরকারিভাবে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। উক্ত সফল খামারি উদ্যোক্তার মত এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরাও এগিয়ে আসা দরকার। তাহলে সমাজে আর বেকার থাকবে না ও চাকরীর পিছনে ছুটতে হবে না। গত বৃহস্পতিবার ( ৫ অক্টোবর) তাঁর খামারের ছাগলগুলোকে বিনামূল্যে পিপিআর রোগের টিকাও প্রদান করা হয়।