শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

লামায় ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

৫৫

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥

লামায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। সোমবার (০৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লামা বাজারস্থ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে লামা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রব এর সভাপতিত্বে দিবসটি পালিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক এম রুহুল আমিন, সহ-সভাপতি মোঃ লোকমান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহীন, সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক সেফায়েত রাসেল, সদস্য সচিব আরাফাত বুলবুল, লামা উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান সিদ্দিক সাদ্দাম সহ প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপির সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে। সিপাহি-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পরদিন ৭ নভেম্বর সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে নেমে আসে ঢাকার রাস্তায়, ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।

অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের রাজনীতিতে। তারপর থেকেই ৭ নভেম্বর পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে। বিএনপি সরকারের আমলে এ দিনটিতে সরকারি ছুটি ছিল।