শিরোনাম
মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহত

নানিয়ারচরে লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত দিদার বাঁচতে চায়

৪৮

॥ তুফান চাকমা, নানিয়ারচর ॥

নানিয়ারচরে বুড়িঘাট এলাকার বাসিন্দা মৃত মোঃ সুলতানের পুত্র দিদার খান (৩২) মারাত্মক দূরারোগ্য লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছেন। বর্তমানে বুড়িঘাটে নিজ বাড়িতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেছেন তাঁর পরিবার।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিদার পেশায় একজন গাড়ি চালক। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকায় গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। খুব সুন্দর ভাবে চার সদস্যর সংসার চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে একটা ঝটিকা ঝড়ে যেন সেই সংস্যারে নেমে এলো কালো অন্ধকারে ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার। একমাত্র উপার্জনকারী দিদার এখন লিভার সমস্যায় বিছানায় কাতরাচ্ছে। এদিকে চিকিৎসার জন্য সব সম্বল শেষ হয়ে গেছে। আর অন্যদিকে পরিবারের খরচ জোগাতে বিপাকে পড়েছেন তার সহ সহধর্মিণী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, নম্র, ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে এলাকায় দিদারের সুনাম রয়েছে। আমার জানা মতে সে কখনো কারো ক্ষতি করেনি, বরং গরীব দুঃখী মানুষের পাশে সে সবসময় ছিল। তার ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। ইতিমধ্যে তার পরিবারের যা কিছু ছিলো সব ব্যয় করা হয়েছে। এখন অর্থ সংকটে থাকার কারণে চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করতে পরিবারের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সাধ্য মতো চেষ্টা করতেছি তার উন্নত চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করার। এমন অবস্থায়, মানবিকতার দৃষ্টিতে এবং আমাদের একজন ভাই (প্রতিবেশী) হিসেবে যে যার যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারবে। এবং তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাড়াতাড়ি ভারতে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন।

এদিকে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা দিদারের চিকিৎসার জন্য সমাজের মানবিক ও বিত্তশালীদের প্রতি সাহায্যের অনুরোধ করেছেন। তারা মনে করেন, সামান্য সহযোগিতায় হয়তো এ যুবকের জীবন বেঁচে যেতে পারে। পরিবারের সাথে যোগাযোগ মোবাইল নাম্বার ০১৮৩৭৮৪১১৫৪