শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মানিকছড়িতে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

১২০

॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে শেষ হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বুধবার (৫ অক্টোবর) বিকালে মানিকছড়ি উপজেলার শ্রী শ্রী রাজশ্যামা কেন্দ্রীয় কালি মন্দির পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রতিমা ঘাটে নিয়ে আসার পর শেষবার ধূপধুনো নিয়ে আরতিতে মেতে ওঠেন ভক্তরা। সবশেষে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের মধ্যদিয়ে মা দুর্গাকে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় ‘দুর্গা মা কী, জয়’, ‘আসছে বছর আবার হবে’ বলে ধ্বনি দেওয়া হয়। ভক্তরা ঢাকের শব্দের সঙ্গে কাসার ঘণ্টা বাজিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেয়। মানিকছড়ি কেন্দ্রীয় কালি মন্দিরের পাশাপাশি, তিনটহরী দুর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে তিনটহরীর ভাবনা কেন্দ্রের দিঘীতে প্রতিমা বিসর্জান দেয়। তাছাড়া একসত্যাপাড়া শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃত্বে মন্দিরে নিকটবর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

এ সময় মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ, সম্মানিত উপদেষ্টা, শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষসহ অসংখ্য সনাতনী ধর্মাবলম্বীা উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

সকলেই করোনার কারণে দুই বছর পর শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পেরে সৃষ্টিকর্তা প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুষ্ট ও অশুভ শক্তির বিনাশের পাশাপাশি সত্য ও সুন্দর আগামী জীবন কামনা করেন। তাছাড়া পুরোনো বছরের দুঃখ, কষ্টকে ভুলে গিয়ে আগামীর জয় গানে মেতে ওঠেন ভক্তরা। পুরো দুর্গোৎসবকে ঘিরে সকল ধর্মের মানুষের পদচারণায় সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয় উপজেলার সবকটি মন্দির। সেই সাথে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাক পার্বত্যঞ্চলসহ সমগ্র দেশ এমনটাই প্রত্যাশা সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের।

পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবকে গিরে প্রতিটি পুজা মন্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুলিশ ও আনসার সদস্যরা ছিল কঠোর অবস্থানে। যাতে কোনো প্রকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে। তাছাড়া শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবীরাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।