[vc_row][vc_column css=”.vc_custom_1596871563159{margin-bottom: 0px !important;}”][vc_column_text css=”.vc_custom_1596874329023{padding-top: -30px !important;}”]

শিরোনাম
আগর বাগান উপকারভোগীদের সাথে কাপ্তাই বন বিভাগের সভাখাগড়াছড়ির দীঘিনালা থানায় ওপেন হাউজ ডে সভা অনুষ্ঠিতকাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবসে নবনন্দন সঙ্গীতালয়ের নজরুলসঙ্গীত সন্ধ্যাবিএনপি নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছেরাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি নেতা বটন মল্লিক বহিষ্কাররাঙ্গামাটিতে সেনা সদস্যদের অভিযানে ভারতীয় সিগারেট জব্দউৎসাহ উদ্দীপনায় রাঙ্গামাটিস্থ বলাকা ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিতরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িস্থ বটতলী-উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে আছেদীঘিনালায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম এর দাফনরাঙ্গামাটিতে হাজারো মানুষের আনন্দ উল্লাসে জশনে জুলুস পালিত
[/vc_column_text][/vc_column][/vc_row]

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধ বালু মহালে অভিযান, লাখ টাকার বালু মহাল জব্দ

৪৪

॥ খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের অবৈধ বালু মহালে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় অবৈধ ওই বালু মহালে মজুতকৃত বিপুল পরিমাণ বালু ও খাল থেকে বালু উত্তোলনের পাম্প মেশিনসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (৩১আগস্ট) বিকেলে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

জানা যায়, উপজেলার ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ধামাই পাড়া হাসান রাজার ঘাট এলাকায় পিলাক নদী থেকে শক্তিশালী পাম্প মেশিনের মাধ্যমে ওই ওয়ার্ডের মেম্বার আবদুল লতিফ খাল থেকে বালু উত্তোলন করে ড্রামট্রাকে করে বিক্রি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন। আর উত্তোলিত বালু পরিবহনের জন্য উঁচু পাহাড় কেটে মহাল পর্যন্ত দীর্ঘ কাঁচা রাস্তাও তৈরি করেন অভিযুক্ত ওই মেম্বার।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মোঃ ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত জানান, ‘অবৈধভাবে খাল থেকে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে উপস্থিত কাউকে না পাওয়া গেলেও উত্তোলিত বালু ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। বালু মহালটির মালিক ইউপি মেম্বার আব্দুল লতিফকে খবর দেয়া হলেও তিনিও হাজির হননি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। তাই জব্দকৃত বালু ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি নিলামে বিক্রি করে সরকারি রাজস্ব তহবিলে জমা করা হবে।