শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

লামায় ৫৫১ পরিবারের মাঝে সোলার বিতরণ

৫৪

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥

শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিটি পরিবারকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় লামায় বিদ্যুৎবিহীন এলাকায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার সোলার সিস্টেম বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলার সরই ইউনিয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে ৯টি ওয়ার্ডের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ৫৫১ পরিবারের মাঝে এ সকল সোলার বিতরণ করা হয়।

এ লক্ষে সরই ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়াতনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ইউপি চেয়াররম্যান মোঃ ইদ্রিস কোম্পানীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়াররম্যান মোস্তফা জামাল।

এতে নিবার্হী কর্মকর্তা মোস্তফা জাবেদ কায়সার, জেলা পরিষদ সদস্য ফাতেমা পারুল, জেলা সহকারী তথ্য অফিসার খন্দকার তৌহিদুল ইসলাম ও সরই ইউনিয়ন আওয়াামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তফা জামাল বলেন, “মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রীর ঘোষণা ছিল ঘরে ঘরে বিদ্যূৎ। তারই আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্প ২য় পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের উপকার ভোগীদের মাঝে এই সোলার বিতরণ করা হয়।

পরে ইউনিয়নের ৩,৭,৮ নং ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ের উঁচু নিচুতে বসবাসরত ৫৫১ পরিবারের মধ্যে ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার সোলার সিস্টেম বিতরণ করা হয়।

এসব সোলার সিস্টেম পেয়ে উপকারভোগীদের কয়েকজন র‌্যাংত্র ম্রো, লংনান ম্রো, তাংহ ম্রো জানান, আমরা কখনও এলাকায় বিদ্যুতের আলো পাব ভাবিনি। এর মাধ্যমে আমরা ঘরে আলো জ্বালাতে পারব, মোবাইলে চার্য দিতে পারব। আজ আমরা অনেক খুশি।

যায়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের বিদ্যমান পরিস্থিতি পেছনে ফেলে ৫০ বছরে দেশের বিদ্যুৎখাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এখন গ্রিড এলাকায় দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। পাহাড়, কিছু দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন অফগ্রিডের ১ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সেই হিসেবে দেশের গ্রিড-অফগ্রিড মিলে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনতে বিশেষ এ প্রকল্প চালু করেছে।