শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

শ্রান ত্রিপুরার চোখের আলো ফেরাতে দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী

৮৬

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥

খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় শ্রান ত্রিপুরা (৫)। তার একটি চোখের আলো ফেরাতে দায়িত্ব নিয়েছে দীঘিনালা জোনের দি বেবি টাইগার্স সেনাবাহিনী। একটি চোখ গৃহপালিত পশু বিক্রি করে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করেছে। আরেকটি চোখের অপারেশনের তারিখ ১২ জুলাই। কিন্তু অপারেশনের জন্য ছিল অর্থাভাব। খবর পেয়ে দীঘিনালা জোনের সেনাবাহিনী দায়িত্ব নিয়েছেন।

বুধবার(২৯জুন) দুপুরে দীঘিনালা জোন সদরে শ্রান ত্রিপুরা(৫) এর বাবা মোহন ত্রিপুরার হাতে চিকিৎসার জন্য নগদ অনুদান তুলে দেন দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুম্মন পারভেজ পিএসসি।

এসময় দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুম্মন পারভেজ পিএসসি জানান, শিশু শ্রান ত্রিপুরার পরিবার খুবই গরীব। শ্রান ত্রিপুরার দুটি চোখের মধ্যে একটি চোখ অপারেশন করালেও আরেকটি চোখের অপারেশনের জন্য ছিল অর্থাভাব। শ্রান ত্রিপুরার চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে যাবতীয় দায়িত্ব আমরা নিয়েছি। ভবিষ্যতে এধরণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আর্থিক সহায়তা পেয়ে শ্রান ত্রিপুরার বাবা মোহন ত্রিপুরা বলেন, গত ২/৩ মাস আগে শ্রান ত্রিপুরা (৫)র চোখের সমস্যাটি আমাদের নজরে আসে। পরে বাড়ীর গবাদি পশু ও স্বার্নালকার বিক্রি করে এবং সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি চোখের চিকিৎসা করালেও আরেকটি চোখের চিকিৎসা বাকী থাকে। যা আর্থিক সংকটে কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। দীঘিনালা জোন আমার ছেলে একটি চোখের চিকিৎসার জন্য দায়িত্ব নিয়েছে এবং আর্থিক সহাযোগীতা করেছে। এতে আমি সেনাবাহিনীর প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ।