শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

খাগড়াছড়িতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা শুরু

৯৯

॥ দহেন বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি ॥

‘বৃক্ষপ্রাণে প্রকৃতি-প্রতিবেশ, আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে খাগড়াছড়িতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (২৯জুন) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী শুরু হয়। পরে র‌্যালিটি জেলা পৌর টাউনহল প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। মেলায় শতাধিক প্রজাতির বনজ ও ফলজ ভেষজ চারা নিয়ে প্রদর্শনী সাজানো হয়েছে। মেলায় সব বয়সী মানুষের পাশাপাশি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভীড় করেছে। আগামী ৫জুলাই পর্যন্ত এই মেলা চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজাতীয় শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এইচ. এম. এরশাদ, দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাশেম বক্তব্য রাখেন। এসময স্বাগত বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হোসেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আগে বহু প্রজাতির গাছ ছিল। কিন্তু ইদানিং অপরিকল্পিত বৃক্ষ কর্তন ও অসচেতনতার কারণে নিমূল হয়ে গেছে। পাহাড়ের অনেক মূল্যবান গাছকে আমরা হারিয়েছি। কিন্তু তা পরিবর্তে কিছু নতুন প্রজাতির গাছও দেখতে পেয়েছি। যা কৃষক ও বাগানিরা ইতিমধ্যে লাগিয়ে সুফলও পেয়েছে। খাগড়াছড়িতে যে পরিমাণ ফলের বাগান রয়েছে তা কিন্তু আগে ছিল না। পাহাড়ের আম্রপলি আম এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গেছে। যারফলে কিছুটা দরিদ্র নিরসন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে।