শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

আলীকদমে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সেনাবাহিনীর ত্রাণ ও নগত টাকা বিতরণ

৩৭

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম ॥

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়ের ৫নং ওয়ার্ড সোনাইছড়ি কাইরি ম্রো পাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া অসহায়,দুস্থদের মাঝে ত্রাণ ও নগত আর্থিক সহায়তা দিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে বিকাল ৩ টায় কানা মেম্বার আর্মি ক্যাম্পে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ ও নগত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ত্রাণ ও নগত আর্থিক সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনঞ্জুরুল আহসান পি,এস,সি।

এসময় তিনি বলেন,আগুনে পুড়ে ঘর বাড়ি হারিয়েছে কাইরি পাড়ার কয়েকটি পরিবার খুব মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই সংকট রোধকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, নগত টাকা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা এবং উন্নয়নে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে।এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য গত ১৫ জুন সকাল ১১টায় আলীকদমের ২ নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের কাইরি পাড়ায় আগুন লেগে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির ৫টি পরিবার সম্পুর্ন নিঃস্ব হয়ে যায়। রান্না ঘরের লাকড়ির চুলা থেকে লাগা আগুনে সদ্য জুমচাষ থেকে পাওয়া প্রায় আড়াইশ মন ধান, ৫ ভরি স্বর্ন এবং প্রায় ৫০ ভরি রুপা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।