শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

দীঘিনালায় মাচাং এ ঝুলছে আঙুর ফল

৪১

॥ মোঃ সোহেল রানা দীঘিনালা ॥

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মায়াফাপাড়া এলাকার বিভাস ত্রিপুরা (৪৮) শখের করে ২০১২ সালে নিজ বসতবাড়ির পেছনে একটি আঙুরগাছ লাগিয়েছিলেন। সে আঙুরগাছে পাঁচ বছর পর থেকে ফলন আসছে। একটি গাছে প্রতিবছর ১৫ থেকে ২০ কেজি আঙুর হয়। এ বছরও তাঁর গাছে বেশ আঙুর ধরেছে।

উপজেলা সদর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে মায়াফাপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, বিভাস ত্রিপুরার বসতবাড়ির পেছনে মাচাংয়ে থোকায় থোকায় আঙুর ঝুলে আছে। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলে থাকা আঙুরগুলো দেখতে বেশ বড় ও সুন্দর।

বিভাস ত্রিপুরা বলেন, ‘আমি ২০১২ সালে শখের করেই বসতবাড়ির পেছনে আঙুরগাছটি লাগিয়েছিলাম। প্রথম প্রথম খুব পরিচর্যা করতাম। পাঁচ বছর পর গাছে প্রচুর পরিমাণ আঙুরের ফলন আসে। খেতে বেশ টক, তবে যেগুলো গাছে পাকে, সেগুলো মিষ্টি লাগে। প্রতিবছর গাছে ১৫ থেকে ২০ কেজি আঙুর ধরে। টক হওয়ায় এখন আর আমি গাছের যত্ন করি না। তবে যখন আঙুরের ফলন আসে, তখন মাচাংয়ে ঝুলে থাকা আঙুরগুলো দেখতে ভালো লাগে।’
বিভাস ত্রিপুরা আরো জানান, তিনি কৃষি বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে এ বছর থেকে কীভাবে আঙুরের মিষ্টতা আনা যায়, সে চেষ্টা করছেন। কৃষি কর্মকর্তাও গাছটি সরেজমিন পরিদর্শন করে বেশি পরিমাণ জৈব সার ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। এখন কৃষি বিভাগের পরামর্শে আঙুরের মিষ্টতা আনার উদ্যোগ নিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘ হরিকুমার মহাজনপাড়ার বিভাস ত্রিপুরার আঙুরগাছটি দেখেছি। গাছে প্রচুর পরিমাণ ফলনও এসেছে। মূলত, আমাদের দেশের মাটি ও আবহাওয়া আঙুরের জন্য উপযোগী নয়। তাই আঙুর ফল টক বেশি হয়। আঙুর ফলের মিষ্টতা আনার জন্য দেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন। আর বিভাস ত্রিপুরার আঙুর গাছে পাকলে নাকি মিষ্টতা আসে। সে আমি তাঁকে বেশিসংখ্যক জৈব সার ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি। যদি আঙুরে মিষ্টতা আসে, তাহলে এ এলাকার মাটি আঙুর চাষের জন্য উপযোগী হবে।